তথ্য অধিকার আইন ২০০৯

Normal
0

false
false
false

EN-US
X-NONE
X-NONE

/* Style Definitions */
table.MsoNormalTable
{mso-style-name:”Table Normal”;
mso-tstyle-rowband-size:0;
mso-tstyle-colband-size:0;
mso-style-noshow:yes;
mso-style-priority:99;
mso-style-qformat:yes;
mso-style-parent:””;
mso-padding-alt:0in 5.4pt 0in 5.4pt;
mso-para-margin-top:0in;
mso-para-margin-right:0in;
mso-para-margin-bottom:10.0pt;
mso-para-margin-left:0in;
line-height:115%;
mso-pagination:widow-orphan;
font-size:11.0pt;
font-family:”Calibri”,”sans-serif”;
mso-ascii-font-family:Calibri;
mso-ascii-theme-font:minor-latin;
mso-hansi-font-family:Calibri;
mso-hansi-theme-font:minor-latin;}

This piece was a lecture devlivered by Muhammad Lutful Haq, president of the Friends of Archives Bangladesh, on 9 June 2013, International Archives day, in a proggrame for Bandhisova. The lecture was about Right to Information Act 2009.

Image

 

 

তথ্যঅধিকারআইন২০০৯

মুহাম্মদলুত্ফলহক

 

 

ভূমিকা

স্বল্পকথায়তথ্যহচ্ছেদেশকালপাত্রসম্পর্কেজ্ঞানবিশেষজ্ঞদেরমতে, তথ্যহচ্ছেব্যক্তি, পরিবেশ, সমাজ, জাতীয়আন্তর্জাতিকঅবস্থাসম্পর্কেসাধারণবার্তা, ধারণা, ঘটনা, মতামত, চিত্র, উপাত্ত, মন্তব্য, অনুভূতি, জ্ঞানেরধারণইত্যাদি, যাকাজেরকিংবাকাজসংক্রান্তপদক্ষেপেরগতিশীলতাবাড়ায়বাকাজকেএগিয়েনেয় [তথ্যঅধিকারেরস্বরূপসন্ধানে, পৃষ্ঠা]

অধিকারহচ্ছেসাধারণভাবেব্যক্তিবাসমষ্টিরজীবনধারণউন্নয়নেরন্যায়সংগতদাবীঅধিকারসামাজিকমূল্যবোধবারাষ্ট্রিয়আইনদ্বারাসমর্থিত, ফলেঅধিকারেরনৈতিকআইনগতভিত্তিআছে

তথ্যঅধিকারহচ্ছেমানুষেরজানাজ্ঞানঅন্বেষণেরঅধিকারঅন্যান্যযেকোনঅধিকারপ্রতিষ্ঠারজন্যতথ্যেরদরকার, তাইতথ্যঅধিকারকেঅন্যসবঅধিকারেরপরিপূরকসম্পূরকঅধিকারবলাহয়জাতিসংঘতারসার্বজনীনমানবাধিকারঘোষণাপত্রেরআর্টিকেল১৯উল্লেখকরেছে, প্রত্যেকেরইমতামতপোষণকরাপ্রকাশকরারঅধিকাররয়েছেবিনাহস্তক্ষেপেমতামতপোষণকরাএবংযেকোনউপায়েরাষ্ট্রিয়সীমানানির্বিশেষেতথ্যমতামতসন্ধানকরা, গ্রহণকরাজানবারস্বাধীনতাএইঅধিকারেরঅন্তর্ভূক্তবিভিন্নদেশেজনগণেরতথ্যপ্রাপ্তিরঅধিকারটিআইনেরমাধ্যমেপ্রতিষ্ঠিতহয়েছেসমস্তআইনেরআওতায়তথ্যঅধিকারবলতেসরকারসরকারসংশ্লিষ্টবিভিন্নকার্য্যালয়থেকেতথ্যপ্রাপ্তিরঅধিকারকেবুঝায়তথ্যঅধিকারেরআওতায়পরেপরিদর্শনকরা, নোটউদ্ধৃতিনেওয়া, ডকুমেন্টবারেকর্ডেরফটোকপিবাপ্রত্যয়নকৃতকপিপাওয়া, কোনসামগ্রীরপ্রত্যয়নকৃতনমুনানেওয়া, তথ্যকম্পিউটারবাঅন্যকোনোডিভাইসেসংরক্ষিতথাকলেডিক্স, ফ্লপি, টেপ, ভিডিওটেপঅথবাঅন্যকোনোইলেকট্রনিকমাধ্যমেতথ্যপাওয়াইত্যাদি

 

তথ্যঅধিকারেরপ্রয়োজনীয়তা

তথ্যজনগণকেসমৃদ্ধকরেআরতথ্যসমৃদ্ধজনগণসরকারকেসহযোগিতাপ্রদানকরতেপারে, একইসাথেতারাবিভিন্নউন্নয়নকর্মকান্ডেঅংশগ্রহণকরতেপারেফলেসরকারেরস্বচ্ছতাজবাবদিহীতানিশ্চিতহয়এবংসুশাসনপ্রতিষ্ঠালাভকরে, অপরপক্ষেতথ্যহীনতাদুর্নীতিরজন্মদেয়বাংলাদেশসহতৃতীয়বিশ্বেরপ্রায়প্রতিটিদেশেইউন্নয়নেরপ্রধানবাধাদুর্নীতিঅথচতথ্যেরঅবাধপ্রবাহএবংসহজলভ্যতাদুর্নীতিরোধেবিশেষভূমিকাপালনকরতেপারেএককথায়তথ্যেরসহজআদানপ্রদানসুশাসনপ্রতিষ্ঠাকরেআরতথ্যহীনতাদুর্নীতিরজন্মদেয়

তথ্যঅধিকারেরআওতাশুধুসরকারিকার্য্যালয়েরমধ্যেইসীমিতথাকলেহবেনাবরংসুশাসনপ্রতিষ্ঠাএবংদুর্নীতিনির্মূলেরজন্যসরকারদাতাদেশগুলোরসাহায্যেপরিচালিতদেশেরযাবতীয়জনস্বার্থসম্পর্কিতএনজিওসমূহহতেওজনগণেরতথ্যপ্রাপ্তিরঅধিকারনিশ্চিতথাকাপ্রয়োজনবাংলাদেশেরসংবিধানেঅন্যান্যঅনেকঅধিকারনিশ্চিতথাকলেওতথ্যঅধিকারবিষয়টিঅনুল্লেখিতথেকেযায়, বরংতথ্যপ্রদানকেএযাবত্বিভিন্নআইনদ্বারানিরুত্সাহিতবাবাঁধাগ্রস্থকরাহয়েছেসরকারিঅফিসসমূহেউপনিবেশিকসময়থেকেইতথ্যগোপনীয়তারসংস্কৃতিপ্রচলিতআছেএছাড়াতথ্যঅধিকারবিষয়েবৃহত্জনগোষ্ঠিওখুবএকটাসচেতননয়সর্বোপরিঔপনিবেশিকশাসনব্যবস্থারকারনেসরকারসংশ্লিষ্টব্যক্তিবর্গকখনইজবাবদিহীতাস্বচ্ছতাকেকাঙ্খিতমনেকরেননিএবংএদেরঅনেকেইতথ্যগোপনীয়তারকুফলেদুর্নীতিগ্রস্থহয়েপরেছেনএসমস্তকারণেপূর্বেতথ্যঅধিকারপ্রতিষ্ঠায়খুবএকটাউদ্যোগলক্ষ্যকরাযায়নিতবেস্বল্পকিছুসংখ্যকআইনজীবি, অধিকারকর্মী, সাংবাদিক, সমাজসেবীইত্যাদিপেশারব্যক্তিবর্গনব্বইএরদশকেরমাঝামাঝিতথ্যঅধিকারবিষয়েএগিয়েআসেনতাঁরাবিভিন্নকর্মসূচিরমাধ্যমেতথ্যঅধিকারকেআন্দোলনেরূপদেয়ারচেষ্টাকরেনপ্রতিষ্ঠানহিসেবেব্লাস্ট, ম্যাসলাইনমিডিয়াসেন্টার, মানুষেরজন্যইত্যাদিসংগঠনগুরুত্বপূর্ণভূমিকারাখেএকবিংশশতাব্দীরপ্রথমথেকেইতথ্যঅধিকারবিষয়টিঅধিকগুরুত্বপেতেথাকেমানুষেরজন্যতথ্যঅধিকারআইনপ্রণয়নেরপ্রয়োজনেবিভিন্নব্যক্তিসংস্থারসমন্বয়েএকটিপ্রেসারগ্রুপেরসৃষ্টিকরেএদেরনিরলসপ্রচেষ্টায়বাংলাদেশকমিশনতথ্যঅধিকারআইন২০০২শিরোনামেএকটিকর্মপত্রতৈরিকরেপরবর্তীতেবিষয়টিকিছুদিনধামাচাপাথাকারপরতত্বাবধায়কসরকারেরসময়আবারওগতিলাভকরেঅবশেষে২০০৮সালেরঅক্টোবরমাসেতথ্যঅধিকারঅধ্যাদেশ২০০৮জারিহয়বর্তমানসরকার২০০৯সালেরমার্চমাসেতথ্যঅধিকারআইন২০০৯প্রণয়নকরে

 

তথ্যঅধিকারআইন২০০৯

রাষ্ট্রপতিরঅনুমোদনেরপর৮টিঅধ্যায়ে৩৭টিধারাসহ২০পৃষ্ঠারতথ্যঅধিকারআইনটি২০০৯সালেরএপ্রিলপ্রকাশিতহয়, এবংআইনটি২০০৯সালেরজুলাইপূর্ণাঙ্গভাবেকার্যকরহয়তথ্যঅধিকারআইনেরশুরুতেইএরযৌক্তিকতাতুলেধরাহয়: যেহেতুগণপ্রজাতন্ত্রীবাংলাদেশেরসংবিধানেচিন্তা, বিবেকবাকস্বাধীনতানাগরিকগণেরঅন্যতমমৌলিকঅধিকারহিসাবেস্বীকৃতএবংতথ্যপ্রাপ্তিরঅধিকারচিন্তা, বিবেকবাকস্বাধীনতারএকটিঅবিচ্ছেদ্যঅংশ; এবং

যেহেতুজনগণপ্রজাতন্ত্রেরসকলক্ষমতারমালিকজনগণেরক্ষমাতায়নেরজন্যতথ্যঅধিকারনিশ্চিতকরাঅত্যাবশ্যক; এবং

যেহেতুজনগণেরতথ্যঅধিকারনিশ্চিতকরাহইলেসরকারী, স্বায়ত্তশাসিতসংবিধিবদ্ধসংস্থাএবংসরকারীবিদেশীঅর্থায়নেসৃষ্টবাপরিচালিতবেসরকারীসংস্থারস্বচ্ছতাজবাবদিহিতাবৃদ্ধিপাইবে, দুর্নীতিহ্রাসপাইবেসুশাসনপ্রতিষ্ঠিতহইবে; এবং

যেহেতুসরকারী, স্বায়ত্তশাসিতসংবিধিবদ্ধসংস্থাএবংসরকারীবিদেশীঅর্থায়নেসৃষ্টবাপরিচালিতবেসরকারীসংস্থারস্বচ্ছতাজবাবদিহিতানিশ্চিতকরণেরলক্ষ্যেবিধানকরাসমীচীনপ্রয়োজনীয়;

সেহেতুএতদ্দ্বারানিম্নরূপআইনকরাহইল

 

বিভিন্নধারারসংক্ষিপ্তবর্ণনা

নীচেআইনেরপ্রয়োজনীয়কয়েকটিধারারসংক্ষিপ্তবর্ণনাদেয়াহল:-

ধারাআইনেরশিরোনামএবংকার্যকারিতারদিনউল্লেখআছে

ধারাআইনসংশ্লিষ্টবিভিন্নসংজ্ঞাব্যাখ্যাপ্রদানকরাহয়েছেএরমধ্যেউল্লেখযোগ্যহচ্ছেউপধারাএবংউপধারাতেউল্লেখআছেযেকোনকোনসংস্থা/কার্য্যালয়/প্রতিষ্ঠানএইআইনেরআওতায়পরবেএদেরকেকর্তৃপক্ষনামেঅবিহিতকরাহয়েছেউপধারাস্লাইডেদেখুন

() কর্তৃপক্ষঅর্থ 

()         গণপ্রজাতন্ত্রীবাংলাদেশেরসংবিধানঅনুযায়ীসৃষ্টকোনসংস্থা;

()        গণপ্রজাতন্ত্রীবাংলাদেশেরসংবিধানের৫৫() অনুচ্ছেদেরঅধীনপ্রণীতকার্যবিধিমালারঅধীনগঠিতসরকারেরকোনমন্ত্রণালয়, বিভাগবাকার্যালয়;

()কোনআইনদ্বারাবাউহারঅধীনগঠিতকোনসংবিধিবদ্ধসংস্থাবাপ্রতিষ্ঠান;

()          সরকারীঅর্থায়নেপরিচালিতবাসরকারীতহবিলহইতেসাহায্যপুষ্টকোনবেসরকারীসংস্থাবাপ্রতিষ্ঠান;

()         বিদেশীসাহায্যপুষ্টকোনবেসরকারীসংস্থাবাপ্রতিষ্ঠান;

()         সরকারেরপক্ষেঅথবাসরকারবাসরকারীকোনসংস্থাবাপ্রতিষ্ঠানেরসহিতসম্পাদিতচুক্তিমোতাবেকসরকারীকার্যক্রমপরিচালনারদায়িত্বপ্রাপ্তকোনবেসরকারীসংস্থাবাপ্রতিষ্ঠান; বা

()         সরকারকর্তৃক, সময়সময়, সরকারীগেজেটেপ্রজ্ঞাপনদ্বারানির্ধারিতঅন্যকোনসংস্থাবাপ্রতিষ্ঠান

তথ্যবলতেকিকিবিষয়এইআইনেরআওতায়পরবেতাউপধারাতেউল্লেখআছেউপধারাস্লাইডেদেখুন

() তথ্যঅর্থেকোনকর্তৃপক্ষেরগঠন, কাঠামোদাপ্তরিককর্মকান্ডসংক্রান্তযেকোনস্মারক, বই, নকশা, মানচিত্র, চুক্তি, তথ্যউপাত্ত, লগবহি, আদেশ, বিজ্ঞপ্তি, দলিল, নমুনা, পত্র, প্রতিবেদন, হিসাববিবরণী, প্রকল্পপ্রস্তাব, আলোকচিত্র, অডিও, ভিডিও, অংকিতচিত্র, ফিল্ম, ইলেকট্রনিকপ্রক্রিয়ায়প্রস্তুতকৃতযেকোনইনস্ট্রুমেন্ট, যান্ত্রিকভাবেপাঠযোগ্যদলিলাদিএবংভৌতিকগঠনবৈশিষ্ট্যনির্বিশেষেঅন্যযেকোনতথ্যবহবস্তুবাউহাদেরপ্রতিলিপিওইহারঅন্তর্ভূক্তহইবে :

তবেশর্তথাকেযে, দাপ্তরিকনোটসিটবানোটসিটেরপ্রতিলিপিইহারঅন্তর্ভূক্তহইবেনা;

এইআইনঅনুযায়ীতথ্যপ্রকাশেরজন্যকর্তৃপক্ষসমূহদুটিপদ্ধতিঅবলম্বনকরবেপ্রথমটিহচ্ছেPro-activeবাস্বপ্রণোদিতহয়েতথ্যপ্রকাশ, দ্বিতীয়টিচাহিদাস্বাপেক্ষেতথ্যপ্রকাশস্বপ্রণোদিতহয়েকিকিতথ্যপ্রকাশকরতেহবেএবংতাপ্রকাশেরপদ্ধতিঅন্যান্যনির্দেশাবলীধারাবর্ণিতহয়েছে

তথ্যপ্রকাশেরদ্বিতীয়পদ্ধতিঅর্থাত্চাহিদারপ্রেক্ষিতেতথ্যপ্রকাশেরপদ্ধতিঅন্যান্যনির্দেশাবলীধারাউল্লেখআছে

আইনবিভিন্নক্ষেত্রেতথ্যপ্রদানেরবাধ্যবাধকতাসৃষ্টিকরলেওদেশেরনিরাপত্তা, সার্বভৌমত্তঅখন্ডতাবাব্যক্তিবিশেষেরঅধিকার, নিরাপত্তাগোপনীয়তাইত্যাদিকিছুবিষয়েতথ্যপ্রদানেবাধ্যবাধকতারাখেনিধরণেরবিষয়সমূহধারাউল্লেখিতআছেধারাস্লাইডেদেখুন

()    কোনতথ্যপ্রকাশেরফলেবাংলাদেশেরনিরাপত্তাঅখন্ডতাসার্বভৌমত্বেরপ্রতিহুমকিহইতেপারেএইরূপতথ্য;

()     পরারাষ্ট্রনীতিরকোনবিষয়যাহারদ্বারাবিদেশীরাষ্ট্রেঅথবাআন্তর্জাতিককোনসংস্থাবাআঞ্চলিককোনজোটবাসংগঠনেরসহিতবিদ্যমানসম্পর্কক্ষুণ্নহইতেপারেএইরূপতথ্য;

()     কোনবিদেশীসরকারেরনিকটহইতেপ্রাপ্তকোনগোপনীয়তথ্য;

()     কোনতথ্যপ্রকাশেরফলেকোনতৃতীয়পক্ষেরবুদ্ধিবৃত্তিকসম্পদেরঅধিকারক্ষতিগ্রস্থহইতেপারেএইরূপবাণিজ্যিকবাব্যবসায়িকঅন্তর্নিহিতগোপনীয়তাবিষয়ক, কপিরাইটবাবুদ্ধিবৃত্তিকসম্পদ(Intellectual Property Right)সম্পর্কিততথ্য;

()     কোনতথ্যপ্রকাশেরফলেকোনবিশেষব্যক্তিবাসংস্থাকেলাভবানবাক্ষতিগ্রস্থকরিতেপারেএইরূপনিম্নোক্ততথ্য, যথা :-

          () আয়কর, শুল্ক, ভ্যাটআবগারীআইন, বাজেটবাকরহারপরিবর্তনসংক্রান্তকোনআগামতথ্য;

          () মুদ্রারবিনিময়সুদেরহারপরিবর্তনজনিতকোনআগামতথ্য;

          () ব্যাংকসহআর্থিকপ্রতিষ্ঠানসমূহেরপরিচালনাতদারকিসংক্রান্তকোনআগামতথ্য;

()     কোনতথ্যপ্রকাশেরফলেপ্রচলিতআইনেরপ্রয়োগবাধাগ্রস্থহইতেপারেবাঅপরাধবৃদ্ধিপাইতেপারেএইরূপতথ্য;

()     কোনতথ্যপ্রকাশেরফলেজনগণেরনিরাপত্তাবিঘ্নিতহইতেপারেবাবিচারাধীনমামলারসুষ্ঠুবিচারকার্যব্যাহতহইতেপারেএইরূপতথ্য;

()    কোনতথ্যপ্রকাশেরফলেকোনব্যক্তিরব্যক্তিগতজীবনেরগোপনীয়তাক্ষুণ্নহইতেপারেএইরূপতথ্য;

()    কোনতথ্যপ্রকাশেরফলেকোনব্যক্তিরজীবনবাশারীরিকনিরাপত্তাবিপদাপন্নহইতেপারেএইরূপতথ্য;

()    আইনপ্রযোগকারীসংস্থারসহায়তারজন্যকোনব্যক্তিকর্তৃকগোপনেপ্রদত্তকোনতথ্য;

()     আদালতেবিচারাধীনকোনবিষয়এবংযাহাপ্রকাশেআদালতবাট্রাইব্যুনালেরনিষেধাজ্ঞারহিয়াছেঅথবাযাহারপ্রকাশআদালতঅবমাননারশামিলএইরূপতথ্য;

()     তদন্তাধীনকোনবিষয়যাহারপ্রকাশতদন্তকাজেবিঘ্নঘটাইতেপারেএইরূপতথ্য;

()    কোনঅপরাধেরতদন্তপ্রক্রিয়াএবংঅপরাধীরগ্রেফতারশাস্তিকেপ্রভাবিতকরিতেপারেএইরূপতথ্য;

()     আইনঅনুসারেকেবলএকটিনির্দিষ্টসময়েরজন্যপ্রকাশেরবাধ্যবাধকতারহিয়াছেএইরূপতথ্য;

()     কৌশলগতবাণিজ্যিককারণেগোপনরাখাবাঞ্ছনীয়এইরূপকারিগরীবাবৈজ্ঞানিকগবেষণালব্ধকোনতথ্য;

()    কোনক্রয়কার্যক্রমসম্পূর্ণহইবারপূর্বেবাউক্তবিষয়েসিদ্ধান্তগ্রহণেরপূর্বেসংশ্লিষ্টক্রয়বাউহারকার্যক্রমসংক্রান্তকোনতথ্য;

()     জাতীয়সংসদেরবিশেষঅধিকারহানিরকারণহইতেপারেএইরূপতথ্য;

()     কোনব্যক্তিরআইনদ্বারাসংরক্ষিতগোপনীয়তথ্য;

()     পরীক্ষারপ্রশ্নপত্রবাপরীক্ষায়প্রদত্তনম্বরসম্পর্কিতআগামতথ্য;

()     মন্ত্রিপরিষদবা, ক্ষেত্রমত, উপদেষ্টাপরিষদেরবৈঠকেউপস্থাপনীয়সারসংক্ষেপসহআনুষঙ্গিকদলিলাদিএবংউক্তরূপবৈঠকেরআলোচনাসিদ্ধান্তসংক্রান্তকোনতথ্য

সাধারণমানুষেরচাহিদাস্বাপেক্ষেতথ্যপ্রদানেরজন্যপ্রতিটিকার্য্যালয়েএকজনকরেদায়িত্বপ্রাপ্তকর্মকর্তানিয়োগথাকবেআইনেরধারা১০দায়িত্বপ্রাপ্তকর্মকর্তাবিষয়েবিভিন্ননির্দেশাবলীদেয়াআছে

তথ্যঅধিকারআইনকেকার্যকরকরারজন্যএকটিতথ্যকমিশনগঠনকরাহয়েছেতথ্যকমিশনএকটিসংবিধিবদ্ধস্বাধীনসংস্থাতথ্যকমিশনেরমোটসদস্যসংখ্যাথাকবেতিনজনএবংএরমধ্যেএকজনহবেনমহিলাতথ্যকমিশনেরগঠনপদ্ধতি, দায়িত্বকর্তব্য, ক্ষমতা, কর্মপরিধী, প্রশাসনিকবিষয়ইত্যাদিধারা১১থেকে২৭এরমধ্যেবর্ণিতআছেএরমধ্যেউল্লেখযোগ্যহচ্ছেধারা১৩, যেখানেতথ্যকমিশনেরক্ষমতাকার্যাবলীপ্রদত্তহয়েছেধারা১৩স্লাইডেদেখুন

১৩তথ্যকমিশনেরক্ষমতাকার্যাবলী () কোনব্যক্তিনিম্নলিখিতকারণেকোনঅভিযোগদায়েরকরিলেতথ্যকমিশন, এইআইনেরবিধানাবলীসাপেক্ষে, উক্তঅভিযোগগ্রহণ, উহারঅনুসন্ধানএবংনিষ্পত্তিকরিতেপারিবে, যথা :-

(K)         কোনকর্তৃপক্ষকর্তৃকদায়িত্বপ্রাপ্তকর্মকর্তানিয়োগনাকরাকিংবাতথ্যেরজন্যঅনুরোধপত্রগ্রহণনাকরা;

(L)          কোনতথ্যচাহিদাপ্রত্যাখ্যাতহইলে;

(M)        তথ্যেরজন্যঅনুরোধকরিয়া, এইআইনেউল্লিখিতনির্ধারিতসময়সীমারমধ্যে, কর্তৃপক্ষেরনিকটহইতেকোনজবাববাতথ্যপ্রাপ্তনাহইলে;

(N)          কোনতথ্যেরএমনঅংকেরমূল্যদাবীকরাহইলে, বাপ্রদানেবাধ্যকরাহইলে, যাহাতাহারবিবেচনায়যৌক্তিকনয়;

(O)         অনুরোধেরপ্রেক্ষিতেঅসম্পূর্ণতথ্যপ্রদানকরাহইলেবাযেতথ্যপ্রদানকরাহইয়াছেউহাভ্রান্তবিভ্রান্তিকরবলিয়ামনেহইলে;

(P)          এইআইনেরঅধীনতথ্যেরজন্যঅনুরোধজ্ঞাপনবাতথ্যপ্রাপ্তিসম্পর্কিতঅন্যযেকোনবিষয়

() তথ্যকমিশনস্বপ্রণোদিতহইয়াঅথবাকোনঅভিযোগেরভিত্তিতেএইআইনেরঅধীনউত্থাপিতঅভিযোগসম্পর্কেঅনুসন্ধানকরিতেপারিবে

() নিম্নলিখিতবিষয়েCode of Civil procedure. 1908 (Act V of 1908)এরঅধীনএকটিদেওয়ানীআদালতযেক্ষমতাপ্রযোগকরিতেপারিবেতথ্যকমিশনবা, ক্ষেত্রমত, প্রধানতথ্যকমিশনারবাতথ্যকমিশনারওএইধারারঅধীনসেইরূপক্ষমতাপ্রয়োগকরিতেপারিবেন, যথা:-

()    কানব্যক্তিকেতথ্যকমিশনেহাজিরকরিবারজন্যসমনজারীকরাএবংশপথপূর্বকমৌখিকবালিখিতপ্রমাণ, দলিলবাঅন্যকোনকিছুহাজিরকরিতেবাধ্যকরা;

()     তথ্যযাচাইপরিদর্শনকরা;

()     হলফনামাসহপ্রমাণগ্রহণকরা;

()     কোনঅফিসেরকোনতথ্যআনয়ণকরা;

()     কোনসাক্ষীবাদলিলতলবকরিয়াসমনজারীকরা; এবং

()     এইআইনেরউদ্দেশ্যপূরণকল্পে, বিধিদ্বারানির্ধারিতঅন্যযেকোনবিষয়

() অন্যকোন  আইনেভিন্নরূপযাহাকিছুইথাকুকনাকেন, এইআইনেরঅধীনকোনঅভিযোগঅনুসন্ধানকালেতথ্যকমিশনবা, ক্ষেত্রমত, প্রধানতথ্যকমিশনারবাতথ্যকমিশনারকোনকর্তৃপক্ষেরনিকটরক্ষিতঅভিযোগসংশ্লিষ্টযেকোনতথ্যসরেজমিনেপরীক্ষাকরিতেপারিবেন

() তথ্যকমিশনেরকার্যাবলীহইবেনিম্নরূপ, যথা :-

(K)          কর্তৃপক্ষকর্তৃকতথ্যসংরক্ষণ, ব্যবস্থাপনা, প্রকাশ, প্রচারপ্রাপ্তিরবিষয়েনির্দেশনাপ্রদান;

(L)          কর্তৃপক্ষেরনিকটহইতেতথ্যপ্রাপ্তিরলক্ষ্যেঅনুরোধেরপদ্ধতিনির্ধারণ, ক্ষেত্রমত, তথ্যেরউপযুক্তমূল্যনির্ধারণ;

(M)        নাগরিকদেরতথ্যঅধিকারসংরক্ষণবাস্তবায়নেরবিষয়েনীতিমালাএবংনির্দেশনপ্রণয়নপ্রকাশ;

(N)          তথ্যঅধিকারসংরক্ষণেরজন্যগণপ্রজাতন্ত্রীবাংলাদেশেরসংবিধানবাআপাতত: বলবত্অন্যকোনআইনেরঅধীনস্বীকৃতব্যবস্থাদিপর্যালোচনাকরাএবংউহারকার্যকরবাস্তবায়নেরজন্যঅসুবিধাসমূহচিহ্নিতকরিয়াউহাদূরীকরণার্থেসরকারেনিকটসুপারিশপ্রদান;

(O)         নাগরিকদেরতথ্যঅধিকারসংরক্ষণবাস্তবায়নেরবিষয়েবাধাসমূহচিহ্নিতকরাএবংযথাযথপ্রতিকারেরজন্যসরকারেরনিকটসুপারিশপ্রদান;

(P)          তথ্যঅধিকারবিষয়কচুক্তিসহঅন্যান্যআন্তর্জাতিকদলিলাদিরউপরগবেষণাকরাএবংউহাবাস্তবায়নেরজন্যসরকারেরনিকটসুপারিশপ্রদান;

(Q)          নাগরিকদেরতথ্যঅধিকারসংরক্ষণবাস্তবায়নেরবিষয়েতথ্যঅধিকারসম্পর্কিতবিভিন্নআন্তর্জাতিক  দলিলেরসহিতবিদ্যমানআইনেরসাদৃশ্যতাপরীক্ষাকরাএবংবৈসাদৃশপরিলক্ষিতহওয়ারক্ষেত্রেউহা  দূরীকরণার্থেসরকারবা, ক্ষেত্রমত, সংশ্লিষ্টকর্তৃপক্ষেরনিকটপ্রয়োজনীয়সুপারিশপ্রদান;

(R)           তথ্যঅধিকারবিষয়েআন্তর্জাতিকদলিলঅনুসমর্থনবাউহাতেস্বাক্ষরপ্রদানেসরকারকেপরামর্শপ্রদান;

(S)            তথ্যঅধিকারসংরক্ষণবাস্তবায়নেরবিষয়েগবেষণাকরাএবংশিক্ষাপেশাগতপ্রতিষ্ঠানকেউক্তরূপগবেষণাপরিচালনায়সহায়তাপ্রদান;

(T)           সমাজেরবিভিন্নশ্রেণীরনাগরিকদেরমধ্যেতথ্যঅধিকারসংরক্ষণবাস্তবায়নেরবিষয়েপ্রচারএবংপ্রকাশনাঅন্যান্যউপায়েতথ্যঅধিকারবিষয়েসচেতনতাবৃদ্ধিকরণ;

(U)          তথ্যঅধিকারসংরক্ষণবাস্তবায়নেরলক্ষ্যেপ্রয়োজনীয়আইনপ্রশাসনিকনির্দেশনাপ্রণয়নেরব্যাপারেসরকারকেপরামর্শসহযোগিতাপ্রদান;

(V)          তথ্যঅধিকারসংরক্ষণবাস্তবায়নেরলক্ষ্যেকর্মরতসংগঠনবাপ্রতিষ্ঠানএবংনাগরিকসমাজকেপ্রয়োজনীয়পরামর্শসহায়তাপ্রদান;

(W)       তথ্যঅধিকারবিষয়েগবেষণা, সেমিনার, সিম্পোজিয়ামবাওয়ার্কশপেরআয়োজনএবংঅনুরূপঅন্যবিধব্যবস্থারমাধ্যমেগণসচেতনতাবৃদ্ধিকরাএবংগবেষণালব্ধফলাফলপ্রচার;

(X)          তথ্যঅধিকারনিশ্চিতকরণেরলক্ষ্যেকর্তৃপক্ষকেকারিগরীঅন্যান্যসহায়তাপ্রদান;

(Y)          তথ্যঅধিকারনিশ্চিতকরণেরলক্ষ্যেবাংলাদেশেরজন্যএকটিওয়েবপোর্টালস্থাপন; এবং

(Z)           তথ্যঅধিকারসংরক্ষণবাস্তবায়নেরবিষয়েঅন্যকোনআইনেগৃহীতব্যবস্থাদিপর্যালোচনাকরা

তথ্যপ্রদানেকোনোপ্রকারঅবহেলা, অপরাধবাবিঘ্নঘটলেতথ্যকমিশনজরিমানাবাশাস্তিপ্রদানকরতেপারেজরিমানাশাস্তিবিষয়েতথ্যকমিশনেরক্ষমতাধারা২৭উল্লেখআছেধারা২৭এরসংশ্লিষ্টঅংশটিস্লাইডেদেখুন

২৭জরিমানা, ইত্যাদি– () কোনঅভিযোগনিষ্পত্তিরসূত্রেকিংবাঅন্যকোনভাবেতথ্যকমিশনেরযদিএইমর্মেবিশ্বাসকরিবারকারণথাকেযে, কোনদায়িত্বপ্রাপ্তকর্মকর্তা

(K)         কোনযুক্তিগ্রাহ্যকারণছাড়াইতথ্যপ্রাপ্তিরকোনঅনুরোধবাআপীলগ্রহণকরিতেঅস্বীকারকরিয়াছেন;

(L)          এইআইনদ্বারানির্ধারিতসময়সীমারমধ্যেঅনুরোধকারীকেতথ্যপ্রদানকরিতেকিংবাএইবিষয়েসিদ্ধান্তপ্রদানকরিতেব্যর্থহইয়াছেন;

(M)        অসদুদ্দেশ্যেতথ্যপ্রাপ্তিরকোনঅনুরোধবাআপীলপ্রত্যাখ্যানকরিয়াছেন;

(N)          যেতথ্যপ্রাপ্তিরঅনুরোধকরাহইয়াছিলতাহাপ্রদাননাকরিয়াভুল, অসম্পূর্ণ, বিভ্রান্তিকরবাবিকৃততথ্যপ্রদানকরিয়াছেন;

(O)         কোনতথ্যপ্রাপ্তিরপথেপ্রতিবন্ধকতাসৃষ্টিকরিয়াছেন

তাহাহইলেতথ্যকমিশন, দায়িত্বপ্রাপ্তকর্মকর্তারউক্তরূপকার্যেরতারিখহইতেতথ্যসররবরাহেরতারিখপর্যন্তপ্রতিদিনেরজন্য৫০ (পঞ্চাশ) টাকাহারেপরিমানাআরোপকরিতেপারিবে, এবংএইরূপপরিমানাকোনক্রমেই৫০০০ (পাঁচহাজার) টাকারঅধিকহইবেনা

()   ———–

() তথ্যকমিশনযদিএইমর্মেসন্তুষ্টহয়যে, নাগরিকেরতথ্যপ্রাপ্তিতেউপধারা () বর্ণিতকার্যকরিয়াকোনকর্মকর্তাবিঘ্নসৃষ্টিকরিয়াছেন, তাহাহইলেতথ্যকমিশন, প্রযোজ্যক্ষেত্রে, উপধারা () উল্লিখিতজরিমানাছাড়াওসংশ্লিষ্টকর্মকর্তারএহেনকার্যকেঅসদাচরণগণ্যকরিয়াতাহারবিরুদ্ধেবিভাগীয়শাস্তিমূলককার্যক্রমগ্রহণকরিবারজন্যসংশ্লিষ্টকর্তৃপক্ষবরাবরেসুপারিশকরিতেপারিবেএবংএইবিষয়েগৃহীতসর্বশেষব্যবস্থাতথ্যকমিশনকেঅবহিতকরিবারজন্যউক্তকর্তৃপক্ষকেঅনুরোধকরিতেপারিবে

আইনেরধারা() এরআওতায়সরকারেরসকলসংস্থা, কার্যালয়সংগঠনতথ্যপ্রদানেবাধ্যহলেওধারা৩২এরআওতায়স্লাইডেউল্লেখিতসরকারিসংস্থা, কার্যালয়সংগঠনগুলিএইআইনেরআওতামুক্তথাকবে

    জাতীয়নিরাপত্তাগোয়েন্দাসংস্থা (এনএসআই)

    ডাইরেক্টরেটজেনারেলফোর্সেসইনটেলিজেন্স (ডিজিএফআই)

   প্রতিরক্ষাগোয়েন্দাইউনিটসমূহ

     ক্রিমিনালইনভেস্টিগেশনডিপার্টমেন্ট (সিআইডি), বাংলাদেশপুলিশ

    স্পেশালসিকিউরিটিফোর্স (এসএসএফ)

    জাতীয়রাজস্ববোর্ডেরগোয়েন্দাসেল

     স্পেশালব্রাঞ্চ, বাংলাদেশপুলিশ

    র্যাপিডএ্যাকশনব্যাটালিয়ন (র্যাব) এরগোয়েন্দাসেল

তথ্যপ্রদানবিষয়েতথ্যঅধিকারআইন২০০৯কেদেশেপ্রচলিতসকলআইনেরউপরপ্রাধান্যদেয়াহয়েছে, যাধারাবর্ণিতআছে

 

তথ্যঅধিকারআইনদলিলপত্রসংরক্ষণ

তথ্যঅধিকারআইনেরসফলতারঅনেকাংশইনির্ভরকরবেতথ্যসংরক্ষণসহজেচিহ্নিতকরণেরউপরপ্রতিটিকর্তৃপক্ষযদিতাদেরস্বস্বকার্যালয়েতথ্যসম্বলিতদলিলপত্রঅন্যান্যসামগ্রীসঠিকপন্থায়সংরক্ষণনাকরেতবেজনসাধারণতথ্যচাহিদাকরেপাবেনাঅথবাতথ্যসংগ্রহেবিলম্বহবেতাইতথ্যসংরক্ষণবিষয়েতথ্যঅধিকারআইন২০০৯যথেষ্টগুরুত্বপ্রদানকরেছেআইনেরধারা, ধারা১৩(), ২৫(১১) () (), ২৫(১১)() এবং২৫(১১)() তেতথ্যসংরক্ষণ, ব্যবস্থাপনা, শ্রেণীবিন্যাসইত্যাদিবিষয়েরউল্লেখআছেএছাড়াতথ্যকমিশনেরঅন্যতমপ্রধানকাজহচ্ছেতথ্যসংরক্ষণবিষয়েনীতিমালানির্দেশিকাপ্রণয়নকরা, যাহয়ততারাশীঘ্রইপ্রকাশকরবে

 

উপসংহার

নি:সন্দেহেতথ্যঅধিকারআইনএকটিজনবান্ধবআইনযাকার্যকরহলেসরকারেরদায়বদ্ধতাবৃদ্ধিপাবে, সরকারেরপ্রতিজনগণেরআস্থাসৃষ্টিকরবেএকইসাথেএইআইনজনপ্রশাসনেআমলাতান্ত্রিকমনোভাবদূরকরেজনসেবারঅনুকূলেপ্রশাসনকেঅধিকতরগণমুখীকরেতুলতেসাহায্যকরবেসর্বোপরিএইআইনপ্রয়োগেরমাধ্যমেতথ্যেরঅবাধপ্রবাহনিশ্চিতকরতেপারলেদুর্নীতিস্বেচ্ছাচারিতামূক্তএকটিসুশাসনব্যবস্থাওপ্রতিষ্ঠানকরাসম্ভবহবে

তথ্যঅধিকারআইন২০০৯, এবছরেরজুলাইকার্যকরহয়েছে, তথাপিএইআইনসম্পর্কেসাধারণমানুষবামূলভোক্তারাএখনওসচেতননন, এইআইনেরপ্রচারওসেভাবেলক্ষ্যকরাযাচ্ছেনাঅপরদিকেএইআইনবিষয়েবিভিন্নকর্তৃপক্ষ, দায়িত্বপ্রাপ্তকর্মকর্তা, আপীলকর্তৃপক্ষইত্যাদিদলেরপ্রস্তুতিওলক্ষ্যকরাযায়নাতথ্যকমিশনগঠনহলেওএখনওসুসংগঠিতহতেপারেনিতাইবলাচলেযেতথ্যঅধিকারআইন২০০৯এরসুফলএখনওপাওয়াশুরুকরেনিতবেআমরাআশাবাদীযেশীঘ্রইতথ্যঅধিকারআইনসংশ্লিষ্টসবাইতাদেরস্বস্বদায়িত্বপালনশুরুকরবেনএবংবাংলাদেশকেএগিয়েনিয়েযাবেন

 

মুহাম্মদলুত্ফুলহক

lutful55@gmail.com

Advertisements

Bangladesh Archives & Records Management, 1995-2015, een overzicht

Normal
0

ImageBangladesh Archives & Records Management, 1995-2015, een overzicht

 

Rene Spork

 

Met een paar korreltjes gist verander je de structuur van een massa deeg. Met dat idee in het achterhoofd begon archivaris Floor Geraedts in 1995 een samenwerking van Bangladeshi hoogleraren en archiefmensen om ‘iets’ te doen aan archiefzorg, archiefopleiding en archiefbewustwording. Zonder goede bevolkingsadministratie kun je geen verkiezingen organiseren, geen belasting heffen. Zonder een goed ingerichte informatiehuishouding kun je geen rekening en verantwoording afleggen en kunnen burgers hun recht niet halen. ‘Goed bestuur’ is dan niet mogelijk, corruptie helaas wel. Daarnaast spelen archieven een rol als het geheugen van de samenleving, van groot belang voor de geschiedenis, ook van en in Bangladesh. In maart 1999 besloot de Kring van Zuid-Hollandse Archivarissen, op voorspraak van de toenmalige voorzitter, Theo Schelhaas, het project BARM, gericht op archiefontwikkeling in Bangladesh, financieel te ondersteunen. Inmiddels is het project ‘geadopteerd’ door de Koninklijke Vereniging van Archivarissen in Nederland. In Bangladesh zelf heeft het project meer structuur gekregen door de oprichting van de BARM-Society met daarin onder meer vertegenwoordigers van het Nationaal Archief in Dhaka en de Universiteit van Dhaka.

 

De activiteiten van BARM bestaan voornamelijk uit het organiseren van een jaarlijks bezoek (2-3 maanden) van Floor Geraedts en anderen aan Bangladesh waarbij ter plaatse een intensief programma wordt gevuld, opgesteld in overleg met BARM-Society, onder meer gericht op opleiding, bewustwording, inspectie en wat meer praktische archiefzaken. Van voldoende structurele financiering van BARM is geen sprake, zodat elk jaar weer een beroep moet worden gedaan op fondsen en soms zelfs eigen middelen.

 

 

 

Beknopte geschiedenis van Bangladesh

 

Op 3 juli 1946 werd de provincie Bengalen verdeeld in een overwegend hindoeïstisch West-Bengalen en een overwegend islamitisch Oost-Bengalen. Bij de onafhankelijkheid van India en Pakistan in 1947 kwam West-Bengalen als staat bij India en Oost-Bengalen als provincie bij Pakistan. In 1955 werd Oost-Bengalen hernoemd in Oost-Pakistan.

 

Oost-Pakistan werd genegeerd door de centrale regering in West-Pakistan (het huidige Pakistan) en het gebied werd gedomineerd door West-Pakistani. Dit was aanleiding voor het ontstaan van strubbelingen en leidde tot een onafhankelijkheidsstrijd in 1971. Op 26 maart begon het leger van Pakistan aan een bloedige onderdrukking van de opstand, hierbij werden onschuldige mannen, vrouwen en kinderen in groten getale vermoord. In december gaf het Pakistaande leger zich over, mede onder druk van de 3 december binnengevallen Indiase troepen. Majoor  Mujibur Rahman (sociaal-democratische  Awami League)verklaarde hierop de onafhankelijkheid van Bangladesh. Deze ‘vader des vaderlands’ had in Pakistaanse gevangenschap gezeten en keerde terug om gestalte te geven an de toekomstverwachtingen van  75 miljoen Bengalen. En dat in een bestuurlijk en administratief vacuum. Het zat de Bengalen niet mee: in drieëneenhalf jaar tijds zwichtte een moeizaam geïnstalleerde begonnen parlementaire structuur onder de druk van bestuurlijke wanorde, een van criminaliteit en corruptie doordesemde politiek, economische chaos en uitzonderlijk natuurgeweld. Uit de  reeks machtswisselingen volgend op de militaire staatsgreep en de moord op praktisch de hele familie van Sheikh Mujib (Rahman) van 15 augustus 1975 verrees een nieuw Bangladesh onder de leiding van generaal Ziaur Rahman, de Oostpakistaanse generaal die in de eerste dagen van de Bengaalse opstand in maart 1971 met een radio-oproep vanuit Chittagong een belangrijke stimulans tot verzet tegen de Westpakistaanse autoriteiten gaf.  Zijn verdienste was dat hij althans gedurende de jaren 1975-1981 enige eenheid in het hopeloos verdeelde land bracht en enige economische vooruitgang mogelijk maakte. De verdeeldheid onder de Bengalen had alles te maken met de tegenstelling seculieren – Islamisten, voorstanders van onafhankelijkheid tegen Pakistaanse collaborateurs, voorstanders van een neutrale meer op India gerichte koers en voorstanders van een (beperkte) Islamisering, overigens gecombineerd met oriëntatie op de USA. Na een episode van grote politieke instabiliteit en dictatoriale gezagsuitoefening (1981-1990) begon met het verdrijven van de militaire leider Hossain Mohammed Ershad in 1990 een periode van parlementair bestuur. De verkiezingen voor organen van de nationale, regionale en locale overheden zijn steeds opnieuw een bron van heftige tegenstellingen, felle disputen over electoraal geknoei en forse geweldpleging maar tot op heden bleken de democratische instellingen voldoende levensvatbaar. Het formele idee van een onafhankelijke rechtspraak wordt allerwege toegejuicht, maar het bestuurlijke cirquit neigt voortdurend tot beïnvloeding van de rechtspraak. Op landelijk niveau roept dit via scherpe protesten in de media en de politiek voldoende tegenkrachten ten gunste van onafhankelijke rechtsmacht op. De corruptie lijkt toe te nemen, maar tegelijkertijd krijgt ook de weerstand ertegen meer aandacht en gewicht.

 

Het presidentschap van Bangladesh is een grotendeels ceremoniële positie, de macht ligt bij de minister-president die het hoofd van de regering is. De president wordt iedere vijf jaar gekozen door het parlement. De beperkte macht van de president wordt uitgebreid in tijden van een overgang tussen 2 regeringen. De president benoemt de minister-president uit de parlementsleden, hij dient hierbij iemand te kiezen van wie hij aanneemt dat die de steun van de meerderheid van de parlementariërs geniet. De president benoemt ook de leden van de hoogste rechtbank, de Supreme Court.

 

 

 

Goed bestuur

 

BARM  staat voor Bangladesh Archives & Records Management en beoogt in Bangladesh wezenlijk tot ontwikkeling en armoedebestrijding bij te dragen door ‘goed bestuur’ (‘good governance’) te bereiken. ‘Goed bestuur’ betekent gelijkheid van de burger tegengesteld aan willekeur, verantwoording afleggen, controleerbaar rechtsverkeer en  handhaving van de wet. Een goed bestuur kan niet zonder betrouwbare administratie. BARM draagt die boodschap uit. Omdat BARM klein is, vraagt BARM een verantwoorde inzet van mensen en middelen die het  bewustwordingsproces en kennisoverdracht op gang houden.

 

BARM is zoals gezegd als gist, een bijna verwaarloosbare materie die een grote deegmassa van structuur doet veranderen.  En dat is precies wat informatie- en archiefbeheer in het maatschappelijke leven doen. Archieven zijn belangrijk.

 

 

 

Het is niet leuk om als burger van loket A naar loket B te worden gestuurd, maar al met al geldt: lang leve de bureaucratie, een bureaucratie die zo efficiënt mogelijk opereert en vooral zonder willekeur. Zonder goede bevolkingsadministratie bijvoorbeeld wordt het wel erg lastig om verkiezingen te organiseren, belasting te heffen en te bepalen hoeveel ziekenhuizen, scholen enzovoort er moeten worden gebouwd. De neerslag van de bureaucratie vinden we in archieven.

 

 

 

Archieven

 

Archiefstukken, je kunt ze achter elkaar leggen in een even eindeloze als nutteloze sliert van Parijs naar Dakar of van Den Haag tot Chittagong. Je kunt ze door de papierversnipperaar halen en er confetti van maken of je kunt ze bewaren, ordenen en beschrijven opdat toekomstige generaties er iets aan hebben bij de bestudering van het verleden.

 

Archieven dienen het geheugen en geweten van de samenleving. Dat besef was zelfs aanwezig in de prille staat Bangladesh. In 1973, enige maanden na de aanvang van de onafhankelijkheid van Bangladesh, werd  een Nationaal Archief opgericht, vooral door toedoen van dr K.M. Karim (geb. 1933) een bibliothecaris. In twee winkelpanden aan New Elephant Road , even ten noorden van het oude centrum van Dhaka, werd een massa archiefbescheiden van het Secretariat (departementale organisatie van het voormalige provinciebestuur van Oost-Pakistan met stukken van de voorganger daarvan, het provinciale bestuur van Bengalen onder de Britse overheersing) gestald en een studiezaal ingericht. De jaarverslagen laten zien met hoeveel inzet en toewijding met een absoluut minimum aan hulpmiddelen en in een klimaat van nogal grote onverschilligheid voor het archiefbeheer van de kant van de politici een nationale archiefdienst werd opgebouwd. In 1976 behoorde Karim tot een van de stichters van de Zuidwestaziatische afdeling van de I.C.A. (S.W.A.R.B.I.C.A.). Personeel werd op archiefcursus gestuurd naar Londen en Delhi (Indiase archiefschool) en in 1983 lukte het Karim, de beslissende handtekening van de toenmalige president, generaal Ershad onder de National Archives Ordinance te krijgen. Deze eerste Bengaalse archiefwet werd in 1986 gevolgd door in gebruikname van een nieuw gebouw voor de National Library & Archives of Bangladesh in het regeringskwartier van Dhaka.

 

 

 

Buiten de werkingssfeer van de National Archives liggen de Dictrict Collectorate Records Rooms (DCRR), in elk van de hoofdsteden van de 17 ‘oude’ districten, zoals ze al in de periode tussen 1772 en 1857 waren ingesteld door de Britse Raj en ook na de Onafhankelijkheid van Pakistan in 1947 en de verzelfstandiging van Bangladesh in 1971 waren blijven bestaan tot de administratieve hervormingen van 1984 onder president Ershad. In zo’n District Collectorate Record Room zijn kadastrale gegevens, bestuursarchieven en dikwijls ook de rechterlijke archieven aanwezig. Het beheer geschiedt nog onder de regels van het Bengal Records Manual 1943 dat teruggaat op een eerste versie uit 1854.  Het beheer beperkt zich tot het zoveel mogelijk onberoerd laten van de massa’s papier, het af en toe bestrijden van insecten, ratten en slangen en het volstouwen van gangpaden en uithoeken van het gebouw met nieuw gevormd archief. Een groot deel van de activiteiten van het personeel beperkt zich tot het afgeven van afschriften uit de openbare hypotheek- en eigendomsregisters  (een dikwijls lucratieve werkzaamheid volgens het motto “every job is a shop” !).

 

 

 

Archieven zijn er niet alleen voor historici, archieven zijn er ook of vooral voor de recht en bewijszoekende burger (ook u) die in een goed geordende papierstroom een betrouwbare, controleerbare en dus niet corrupte overheid herkent.

 

Kloppen de kadastrale gegevens van uw huis, is er vervuilde grond aanwezig op de plek waar u wilt bouwen, hoe loopt nou precies die oude riolering, er schijnt een wat oudere gemeentelijke verordening te bestaan met een kapverbod van de bomen in uw buurt (is dat zo?), u bent uw schooldiploma kwijt en wil toch graag een bewijs hebben dat u bent geslaagd (bent u dat?). Wat zou u er van vinden indien u zo’n bewijs zou kunnen kopen, nee zou moeten kopen, van een sjoemelende ambtenaar die overigens op geen enkele wijze in zou kunnen staan voor de juistheid van die gegevens? Hoe zou u tegen de ‘schoolbewijzen’ van anderen aankijken?

 

 

 

Corruptie

 

De Nobelprijswinnaars North (USA, 1990) en Amartya Sen (India, 1998) en de Peruaanse ontwikkelingseconoom Hernando de Soto  hebben gewezen op het belang van corruptiebestrijding, doorzichtigheid en controleerbaarheid van procedures in het publieke leven en de betrouwbare, aan democratische controle onderhevige administratie en archiefvorming. De Soto wees er ook op, hoezeer elites hun belangen t.o.v. de arme massa’s beschermen door hun eigendomsregistraties af te schermen, de ‘Glazen stolp’, waar men zoveel mogelijk de grote massa met haar economie buiten wil houden. Met daarbij gevoegd de structuur van een ook van buitenaf – door internationaal opererende multinationals  – instandgehouden ‘detentie-economie’ waarbij van vrije prijsvorming voor de verhandeling van de voor export bestemde goederen (denk aan ‘ready made garments’ / kleding) geen sprake is.

 

Bijvoorbeeld een project om een goede, betrouwbare belastingadministratie op te zetten in Bolivia, maakt duidelijk dat papieren en digitale vastlegging van procedure en werkwijze – zowel het arbeidsproces als de juridische bewijsvoering – de infrastructuur vormt. Deze infrastructuur bepaalt de doelmatigheid, de eerlijkheid en de corruptiebestendigheid van het verkeer tussen belastingheffende overheid en belastingplichtige burger en/of rechtspersoonlijkheid.  Zonder zo’n infrastructuur blijven beloften om eerlijk en doelmatig te werk te gaan, steken in goede bedoelingen.

 

 

 

Vergunningverlening door de overheid via heldere procedures verkleint de kans op geknoei – met extra douceurtjes (every job is a shop) voor de ambtenaar of bestuurder – en de willekeur in handhaving van wetten aanzienlijk; openbare en controleerbare archiefvorming dus.

 

Het besef hiervan in de wereld  is  – aarzelend –  groeiend. Dat behoeft ook in Bangladesh  in het kader van de uitvoering van BARM, veel uitleg en discussie.

 

In grote delen van de zogenaamde Derde Wereld ontbrak tijdens de postkoloniale fase een gezonde bureaucratische traditie: weinig inheemse ambtenaren hadden een via generaties opgebouwde kennis van de positieve betekenis van wat zij toch vooral laatdunkend leerden te zien als “bureaucratische rompslomp”, werk van “dorre klerken” die in ondergeschiktheid hun koloniale meesters moesten dienen. Het hoge koloniale en uitheemse ambtenarenkader voelde zich,  net als hun inheemse opvolgers uit de politieke en intellectuele elite van na de onafhankelijkheid, uiteraard te hoog verheven om zich bezig te houden met het laag aangeslagen papierwerk van dossiers, registers en archieven.  Daarnaast is het aankondigen van voedselprogramma’s, woningprojecten, bruggenbouw en – vooral – strijd tegen corruptie veel spectaculairder en meer mediageniek / esthetischer dan het monnikenwerk van het ontwerpen en uitvoeren van registratie en archiefbeheer om die grootse trajecten ook echt vast te leggen en controleerbaar te houden.

 

 

 

Dat in de traditie van de ontwikkelingssamenwerking (nu zo’n halve eeuw oud), van de kant van de donorlanden, ook Nederland, het belang van registratie en archiefbeheer voor het zuiver en doelmatig maken van het publieke bestuurs- en rechtsverkeer ook pas nu onderkend wordt heeft – paradoxaal genoeg –  te maken met de aanwezigheid van een goed toegeruste registratie- en archiveringspraktijk in de ‘Eerste wereld’. Het is als met vanzelfsprekend gemak: wat al lang onopvallend beschikbaar is, wordt niet opgemerkt: in onze archieven wijzen de alom aanwezige rekeningen van stadsbesturen, regentencolleges van gasthuizen, kloosters enzovoort al op een traditie die al ouder dan zes eeuwen is; dit blote feit op zich maakt de relatie tussen archiefbeheer en controleerbaarheid en doelmatigheid voor ons hier zo vanzelfsprekend dat het verband zijn opvallende betekenis kwijtgeraakt is, in elk geval voor bestuurders, managers, en het overgrote deel van niet-archiefmensen in het algemeen. In het kader van de digitale informatiehuishouding is er juist weer aandacht ontstaan voor het nut en de noodzaak van een goede archiveringspraktijk.

 

 

 

Er is nog een andere invalshoek van waaruit men kan zien  waarom in het besef van de meeste mensen in Bangladesh registratie, archiefbeheer en papieren of digitale controleerbaarheid achteloos weggewuifd worden. Een voorschrift in Bangladesh vergt van werkzoekenden, officiële werkzoekenden welteverstaan, het verwerven van een werkvergunning en –inschrijvingsbewijs bij de gemeente. Een uitvloeisel, een concreet papieren uitvloeisel, van wat ooit vast als onderdeel van een wetgeving tot bevordering van werkgelegenheid en economische ontwikkeling bedoeld was, maar echter en helaas allang een wassen neus geworden, nee erger nog, een manier van bestuurders en ambtenaren om via leges (en vooral natuurlijk ook smeergeld) wat extra inkomsten te verwerven. Voor de belanghebbende en rechthebbende burger vertegenwoordigt zo’n werkvergunning alleen maar de zinloosheid, bemoeizucht, vraatzucht enzovoort van politiek, bestuur en bureaucraten en belichaamt een (veelzeggend genoeg!) papieren maatregel. Wat dus het symbool van rechtskracht zou moeten zijn: een schriftelijke verklaring, vergunning, geboortebewijs, visum, paspoort, kadastraal uittreksel enzovoorts, instrument voor die man of vrouw om een doel in het leven te bereiken, of ongunstige krachten in het maatschappelijke leven af te wenden, wordt een karikatuur of belichaming van het tegendeel: willekeur, inkomensvorming van de bureaucratische en politieke knoeier en bloedzuiger. 

 

 

 

Bij het implementeren van BARM moeten dus ook in dit licht veel weerstanden overwonnen worden. Temeer waar ook nog geldt dat een groot deel van degenen die het meeste belang hebben bij het voortbestaan van willekeur, ondoorzichtigheid, gebrek aan verantwoording en wetteloosheid ook de feitelijke maatregelen tot correctie van dat systeem (dat is immers het invoeren van de infrastructuur voor Good Governance!) moeten vormgeven en doorvoeren.

 

In politieke programma’s bij de verkiezingen van bijvoorbeeld  1 oktober 2001 hadden Awami League (AL), Bangladesh Nationalist Party (BNP) en andere partijen programmapunten als accountability, transparency, rule of law, justice, reducing criminal behaviour en corruptiebestrijding in het openbare bestuur en de kwartaire sector. Helaas blijft het vaak bij een dode letter.  

 

 

 

In januari 2007 ontstond er in Bangladesh een Caretaker Government, dat eerst en vooral een reactie was op de voortdurende politieke strijd. Eerlijke verkiezingen werden voorbereid, gebaseerd op betrouwbare kiezerslijsten. De op grond van de nieuwe kieslijsten (gebaseerd op ID cards in samenhang met een invoeren van Bevolkingsregistratie) gehouden verkiezingen van december 2008 maakten het nut van archivering bij registratie van kerngegevens onbetwistbaar duidelijk. Daarmee was de invloed van buitenaf, bijvoorbeld van de Worldbank (vragend om Good Governance sinds 2001) voor het eerst in Bangladesh zelf merkbaar en zichtbaar geworden.

 

‘Right To Information’ (RTI) werd in 2009 bij wet geregeld in Bangladesh. Vanaf dat moment is met horten en stoten een proces op gang gekomen waarin het belang van dagelijks archiefbeheer van nationaal tot plaatselijk bestuursniveau zichtbaar werd. RTI doet burgers, soms aarzelend vanwege een lange traditie van gesloten bestuur, om informatie vragen bij hun overheid. En dat nu precies vraagt om toegankelijke en volledige archieven. Zowel nieuwe als oude. In deze ontwikkelingslijn past ook de verbreiding na 2009 van toepassing van het zogenaamde Citizen’s Charter (servicenormen, afspraken) tot in de sfeer van het plaatselijke bestuur. In de kleinste gemeenten treft men nu de UISC’s aan: Union parishad Information Service Center. Deze UISC’s zorgen voor digitalisering van de Burgerlijke Stand, bieden Internetcommunicatie aan hun locale gemeenschap en leveren overheidsdiensten volgens Citizen’s Charter.  En dan is er nog de beleidskeuze van de regering (sinds 2009) onder het motto “Vision 2021 (50 jarig jubileum van de staat Bangladesh) ‘Digital Bangladesh 2021’. Al dit beleid draagt bij aan een verbreiding van een soort  “informatiegevoeligheid” of “informatiebewustzijn” onder brede lagen van de bevolking die daardoor in  een ongekend intensief contact met de overheid wordt gebracht. Daardoor is het tot voor kort bestaande model van een overheid die, als in de koloniale tijd, veilig afgezonderd van de maatschappij en zich onbespied wanend haar gang kon gaan snel aan het vervagen.

 

Daarmee is overigens nog geen eind gekomen aan het grootste gif in de maatschappij: corruptie, maar meer transparantie is een goed begin.

 

 

 

Stabiliteit in de politiek is er helaas niet en dat  is wel nodig om tot ‘goed bestuur’ te komen. Begin april 2013 schreef journalist Abdul Hannan in de Daily Star (de NRC van Bangladesh): ‘Perhaps poet T.S. Eliot was right when he wrote “April is the cruelest month.” ’ Abdul Hannan is geen helderziende. Hij doelde niet op de aanstaande ramp in het Rana Plaza gebouw in Dhaka op 24 april waar naar schatting 900 textielarbeiders zijn omgekomen, meest jonge vrouwen. Hannan refereerde aan de politieke tegenstellingen: ‘By all indications, the country is teetering on the brink of potential danger of a long-running and bloody civil strife, like that of Afghanistan, Somalia, Sierra Leone and Darfur, under what many describe as the burden of two predominant political parties, the ruling Awami league and the main opposition party BNP, fighting at loggerheads for power. God forbid that it should happen.’ (Daily Star 7 april).

 

 

 

Bewustzijn

 

Veel groepen moeten links en rechtsom bereikt worden met archiefbewustzijn bevorderende activiteiten. Er zijn diverse opleidingsinstituten van overheidspersoneel  die bereikt moeten worden. Via postdoctorale opleidingen moeten veel studenten in richtingen al;s Bestuurskunden, Sociologie, Rechtswetenschap, Geschiedenis, Economie, Informatica, Bedrijfskunde,  Medicijnen, Psychologie op de hoogte worden gebracht van begrippen als ‘good governance’ en ‘right to information’ en het belang daarvan voor de democratische rechtsorde. Dit geldt natuurlijk ook voor boeren, pachters, werknemers in ambacht en bedrijf (loonstrookjes, arbeidscontracten), scholieren en niet in de laatste plaats politici, bestuurders, leden van volksvertegenwoordiging, de rechterlijke macht en ambtenaren.

 

Dat betekent dat een projectorganisatie opgebouwd moest worden die een heel wat langere tijd moet werken dan eigenlijk voor een project goed is. Immers, projectmatig werken vergt een korte looptijd. Als we het hebben over het BARM-project dan gaat het om decennia van bewustmaking (netwerkopbouw en –onderhoud, publiciteit in de grote media en de vakbladen) van publieke opinie, overheden en kwartaire sector en bedrijfssectoren. Daarnaast wordt gewerkt aan het opzetten van een infrastructuur voor archief- en informatiebeheer en –beschikbaarstelling, scholing van archiefpersoneel en informatiebeheerders en wetswijziging (Right to Information Act).

 

 

 

Bij archiefbeheer in Bangladesh denk je niet aan een dringende noodzaak in de sfeer van eerste levensbehoeften; hoe maak je duidelijk, vooral voor buitenstaanders, dat archiefbeheer zeker even wezenlijk is als wegenaanleg en de bouw van havenfaciliteiten?

 

Je moet laten zien dat de relatie tussen corruptie en archiefbeheer onopvallend is voor buitenstaanders maar  niet voor direct betrokkenen.

 

 

 

Ontwikkelingssamenwerking

 

Een  belangrijk ijkpunt in de Nederlandse ontwikkelingssamenwerking is de aanwezigheid van betrouwbaar bestuur, ‘good governance’ in een voor hulpverlening in aanmerking komend land.  Nu is hier al meteen sprake van een paradox: enerzijds kan een te helpen land alleen maar in aanmerking komen voor hulp wanneer er voldoende elementen van betrouwbaar bestuur aanwezig zijn, anderzijds is nu juist een wezenskenmerk van de sociaaleconomische en technische onderontwikkeling – waarin ons ontwikkelingsbeleid als donorland soelaas wil bieden – het slecht functioneren van bestuur en rechtsstelsel.

 

Bangladesh behoort tot de groep landen waarmee ons land een intensieve  ontwikkelingssamenwerking heeft ontwikkeld, teruggaand tot 1972 toen de nieuwe staat ontstond uit het Pakistaanse Oost-Bengalen. Voor 1971 was er al een hulprelatie met Pakistan waarvan Bangladesh toen de oostelijke helft uitmaakte. Het land is bijna 4 maal zo groot als Nederland en kent  met zijn [160….FG 7 mei 2013] miljoen inwoners een ernstig overbevolkingsvraagstuk. Mede onder invloed van een massale toepassing van kunstmest, irrigatie en plantveredeling is het beeld van massale hongersnoden verleden tijd geworden. De gemiddelde levensduur ligt op 50 jaar en het onderwijs heeft geresulteerd in een alfabetisering van ruim 30%. Sedert onderwijshervormingen van 1993 vertoont het aantal vrouwen met scholing een opvallende stijging.

 

De laatste jaren speelt ook de verspreiding van mobiele telefoons (China dumpt overschotten in productie in landen als Bangladesh) een rol bij alfabetisering. Een vrouw op het platteland die een sms kan sturen naar een dokter in het dichtstbijzijnde dorp heeft daar (levens)belang bij. Een dicht en goed werekend computernetwerk heeft Bangladesh niet, maar  de mobiele telefoons/smartphones zijn niet meer weg te denken uit het straatbeeld. Ze functioneren ook als verbinding met het Internet.

 

 

 

In de Europese contekst zijn vooral landen als Noorwegen, Zweden en Denemarken gericht op culturele ontwikkeling, denk aan behoud van het culturele erfgoed. Engeland heeft als centrum van de Common Wealth speciale belangstelling voor institutionele ontwikkelingssamenwerking, bij uitstek het terrein van het bevorderen van ‘good governance’ .

 

Nederlandse organisaties en bedrijven hebben zich vooral ingezet op het gebied van onderwijs, gezondheidszorg, waterbeheer en de ontwikkeling van landbouw en veeteelt. In dit beleid geldt als bijzonder aandachtpunt de positie van nietbevoorrechten, zoals de vrouwen, landloze families en minderheden.

 

Gedurende het laatste decennium is steeds meer het inzicht gegroeid dat versterking van overheidsfunctioneren en de ontwikkeling van instellingen in het maatschappelijk middenveld, zoals we dat hier in ons land noemen, basisvoorwaarde is voor gewenste sociale en economische ontwikkeling.  

 

In dit veld is in 1995 door toedoen van prof. Dr Ratan Lal Chakraborty, en zijn collega’s  Muntasir Mamoon, Sirajul Islam en Sharifuddin Ahmed en Floor Geraedts (toen gemeentearchivaris van Leidschendam), het archiefproject Bangladesh van start gegaan, oorspronkelijk als antwoord op vragen vanuit hun onderzoeks- en onderwijspraktijk in het History Department van Dhaka Universityen de directie van de National Library & Archives of Bangladesh in Dhaka. Het project, vanaf 1996 onder de naam BARM  (Bangladeshi Archives & Records Management), werd in 1998 –  door bijzondere inspanning van (toen nog) gemeentearchivaris van Leiden, Theo Schelhaas  – opgenomen in de activiteiten van de Stichting Saamhorigheidsfonds Heemstede en in 1999 geadopteerd door de Kring van Zuid-Hollandse Archivarissen.

 

 

 

Wat heeft BARM bereikt?

 

Programma van BARM was het met elkaar in contact brengen van voor het archiefbeheer relevante personen en instellingen, in Bangladesh en in tweede instantie daarbuiten. De meeste historici in Bangladesh zijn niet vertrouwd met archiefonderzoek. De studiezalen van de National Archives zijn voor hun onbekend terrein, evenals de 17 District Collectorate Records Rooms verspreid over het land. Deze DCRR’s zijn combinaties van kadaster, gerechtelijke archieven in de regio en bestuursarchieven, opgericht vanaf 1759 en nog steeds in werking.

 

 

 

De reizen naar Bangladesh hebben ervoor gezorgd dat collega’s in Bangladesh opleidingen hebben genoten (van cursussen ter plaatse, ‘train the trainers’, tot uitzending naar India) en hebben de collega’s in contact gebracht met internationale netwerken (ICA, NL, Skandinavië). De bezoeken hebben geleid tot de oprichting ter plekke van BARM-Society. De relatie tussen BARM en BARM Society is verankerd bij de Commissie Archival Solidaity van de KVAN. Het zogenaamde ‘’Heritage Centre” in Rajshahi (een IISG in de dop) heeft ondersteuning gekregen. Vakkennis wordt uitgewisseld onder meer via de weblog http://bangladesharchives.wordpress.com en vooral ook de Facebookgroep ‘Friends Of Archives of Bangladesh’ (= FAB).  Het aanboren van in Bangladesh aanwezige kennis werd ook vormgegeven door het zoeken van samenwerking met ICDDR,B (Archief-  en bibliotheekafdeling) en Information Science & Library Management Deptartments en Computer Science & Engineering – departments van verschillende universiteiten. Soms is er een uitwisseling van studenten, en collega’’s (Universiteit Leiden, internationale conferenties). In Bangladesh zelf heeft de Right to Information Act bijgedragen aan de bewustwording van het belang van een goede administratie voor goed bestuur. Het regeringsprogramma ‘digital Bangladesh 2021’ stimuleert de digitale ontwikkelingen.

 

BARM is ondertussen een Stichting geworden met ANBI-status. Dat helpt bij fondsenwerving. Stichting “De Pelgrimshoeve Zoetermeer”, Stichting Saamhorigheidsfonds Heemstede, Kledingfonds KICI en Rotary-clubs hebben tot nu toe ondersteuning verleend.

 

 

 

Een sterke nadruk in het BARM-programma ligt op opleidingen. Waarop zijn de cursussen en trainingen gericht? Medewerkers van de nationale archiefdienst hebben vooral belangstelling voor de aanpak van dagelijks terugkerende problemen op het gebied van, materieel beheer en dienstverlening. Wat voor specifieke kennis of vaardigheden hebben wij hun te bieden? Die liggen bijvoorbeeld op het vlak van organisatie en planning. Zelf hebben zij aanzienlijke talenten op het vlak van functioneren in minimale omstandigheden en wanneer het op improviseren aankomt. Eenmalige acties waarvan de uitwerking kortdurend is kunnen zo heel bevredigend tot stand komen. In de wereld van archiefbeheer en informatiebeleid heb je natuurlijk nogal sterk met langlopende processen te maken. Daarin een juiste ‘rijsnelheid en koers’ bepalen vergt zorgvuldige planning en organisatie. 

 

 

 

Bijvoorbeeld tijdens conferenties in november 1997, februari 1998 en oktober 1999 waarbij het nationale historische genootschap (Bangladesh Itihas Samiti) en diverse historische instituten en het Nationaal Archief betrokken waren, kwam aandacht voor het uitzonderlijk gebrekkige archiefbeheer en bleek ook grote belangstelling voor betere huisvesting, opleiding van personeel en een hervorming van het archiefwezen. Groot knelpunt, altijd weer,  is hoe de (ontluikende) belangstelling voor de noodzaak van goed archiefbeheer kan worden omgezet in een structurele planning en  programma en de financiering daarvan. Het tempo is wisselend en vaak een kwestie van een paar stappen vooruit en een paar stappen achteruit.

 

 

 

Samenwerking van BARM – Society met ‘Prothom Alo’, een belangrijke landelijke krant in Bangladesh, heeft vanaf 2010 een versterking ingeluid, met name inzake netwerkopbouw. Intensivering van het archiefbewustzijn en kennisdeling via studiedagen, ook samen met de National Archives of Bangladesh, krijgen hierbij extra aandacht.

 

Begin januari van 2013 is vanuit het Archival Department van ‘Prothom Alo’ een groep van start gegaan: Friends of Archives Bangladesh, met een gelijknamige Facebookgroep als belangrijkste forum. Deze groep, Friends of Archives Bangladesh (FAB) heeft ook contact met  Bondhushova, de vereniging van vrijwilligers van ‘Prothom Alo’, zo’n tweehonderd meest jonge mensen die zich maatschappelijk willen inzetten in allerlei sectoren en daarmee ook hun arbeidsmarktpositie willen verbeteren. Hiermee wordt een versterking van het uitstralingseffect van BARM bereikt. 

 

Ook het beschikbaarstellen van Nederlandse archiefbronnen, vooral vanuit het VOC-archief in het NA in Den Haag, via scanning, transcriptie en vertaling heeft, gestart op verzoek van het Archival Department van genoemde krant, tot doel bij te dragen aan verdere ontwikkeling van de Bengaalse geschiedschrijving.

 

  

 

Wat willen  BARM en BARM-Society nog bereiken?

 

Bovenstaande doet wellicht vermoeden dat BARM gebaat is bij een enorme ‘pot geld.’ Hoewel de financiering ronduit onvoldoende is – ondersteuning voor de reizen en het opzetten van een programma –  blijft meer dan welkom , is dat laatste niet het geval.  BARM stelt zich op het standpunt dat alle initiatieven ter plekke moeten worden ondersteund, hetzij in menskracht, hetzij in bescheiden (hoe bescheiden dan ook) financiële middelen. Grote geldstromen trekken meestal de verkeerde mensen aan en leiden niet vanzelfsprekend tot grote daadkracht.

 

 

 

Het opzetten van een structurele archiefopleiding in Bangladesh blijft het speerpunt van BARM en BARM-Society. De komende twee jaar zullen alle inspanningen daar op worden gericht, opdat het jubileumjaar 2015 waardig kan worden afgesloten.

 

 

FG/RS mei. 2013  

Bangladesh Archives & Records Management, 1995-2015, een overzicht

Normal
0

Bangladesh Archives & Records Management, 1995-2015, een overzicht

Rene Spork

An article by Dutch Archivist Rene Sprok

 

 

 

Met een paar korreltjes gist verander je de structuur van een massa deeg. Met dat idee in het achterhoofd begon archivaris Floor Geraedts in 1995 een samenwerking van Bangladeshi hoogleraren en archiefmensen om ‘iets’ te doen aan archiefzorg, archiefopleiding en archiefbewustwording. Zonder goede bevolkingsadministratie kun je geen verkiezingen organiseren, geen belasting heffen. Zonder een goed ingerichte informatiehuishouding kun je geen rekening en verantwoording afleggen en kunnen burgers hun recht niet halen. ‘Goed bestuur’ is dan niet mogelijk, corruptie helaas wel. Daarnaast spelen archieven een rol als het geheugen van de samenleving, van groot belang voor de geschiedenis, ook van en in Bangladesh. In maart 1999 besloot de Kring van Zuid-Hollandse Archivarissen, op voorspraak van de toenmalige voorzitter, Theo Schelhaas, het project BARM, gericht op archiefontwikkeling in Bangladesh, financieel te ondersteunen. Inmiddels is het project ‘geadopteerd’ door de Koninklijke Vereniging van Archivarissen in Nederland. In Bangladesh zelf heeft het project meer structuur gekregen door de oprichting van de BARM-Society met daarin onder meer vertegenwoordigers van het Nationaal Archief in Dhaka en de Universiteit van Dhaka.

 

De activiteiten van BARM bestaan voornamelijk uit het organiseren van een jaarlijks bezoek (2-3 maanden) van Floor Geraedts en anderen aan Bangladesh waarbij ter plaatse een intensief programma wordt gevuld, opgesteld in overleg met BARM-Society, onder meer gericht op opleiding, bewustwording, inspectie en wat meer praktische archiefzaken. Van voldoende structurele financiering van BARM is geen sprake, zodat elk jaar weer een beroep moet worden gedaan op fondsen en soms zelfs eigen middelen.

 

 

 

Beknopte geschiedenis van Bangladesh

 

Op 3 juli 1946 werd de provincie Bengalen verdeeld in een overwegend hindoeïstisch West-Bengalen en een overwegend islamitisch Oost-Bengalen. Bij de onafhankelijkheid van India en Pakistan in 1947 kwam West-Bengalen als staat bij India en Oost-Bengalen als provincie bij Pakistan. In 1955 werd Oost-Bengalen hernoemd in Oost-Pakistan.

 

Oost-Pakistan werd genegeerd door de centrale regering in West-Pakistan (het huidige Pakistan) en het gebied werd gedomineerd door West-Pakistani. Dit was aanleiding voor het ontstaan van strubbelingen en leidde tot een onafhankelijkheidsstrijd in 1971. Op 26 maart begon het leger van Pakistan aan een bloedige onderdrukking van de opstand, hierbij werden onschuldige mannen, vrouwen en kinderen in groten getale vermoord. In december gaf het Pakistaande leger zich over, mede onder druk van de 3 december binnengevallen Indiase troepen. Majoor  Mujibur Rahman (sociaal-democratische  Awami League)verklaarde hierop de onafhankelijkheid van Bangladesh. Deze ‘vader des vaderlands’ had in Pakistaanse gevangenschap gezeten en keerde terug om gestalte te geven an de toekomstverwachtingen van  75 miljoen Bengalen. En dat in een bestuurlijk en administratief vacuum. Het zat de Bengalen niet mee: in drieëneenhalf jaar tijds zwichtte een moeizaam geïnstalleerde begonnen parlementaire structuur onder de druk van bestuurlijke wanorde, een van criminaliteit en corruptie doordesemde politiek, economische chaos en uitzonderlijk natuurgeweld. Uit de  reeks machtswisselingen volgend op de militaire staatsgreep en de moord op praktisch de hele familie van Sheikh Mujib (Rahman) van 15 augustus 1975 verrees een nieuw Bangladesh onder de leiding van generaal Ziaur Rahman, de Oostpakistaanse generaal die in de eerste dagen van de Bengaalse opstand in maart 1971 met een radio-oproep vanuit Chittagong een belangrijke stimulans tot verzet tegen de Westpakistaanse autoriteiten gaf.  Zijn verdienste was dat hij althans gedurende de jaren 1975-1981 enige eenheid in het hopeloos verdeelde land bracht en enige economische vooruitgang mogelijk maakte. De verdeeldheid onder de Bengalen had alles te maken met de tegenstelling seculieren – Islamisten, voorstanders van onafhankelijkheid tegen Pakistaanse collaborateurs, voorstanders van een neutrale meer op India gerichte koers en voorstanders van een (beperkte) Islamisering, overigens gecombineerd met oriëntatie op de USA. Na een episode van grote politieke instabiliteit en dictatoriale gezagsuitoefening (1981-1990) begon met het verdrijven van de militaire leider Hossain Mohammed Ershad in 1990 een periode van parlementair bestuur. De verkiezingen voor organen van de nationale, regionale en locale overheden zijn steeds opnieuw een bron van heftige tegenstellingen, felle disputen over electoraal geknoei en forse geweldpleging maar tot op heden bleken de democratische instellingen voldoende levensvatbaar. Het formele idee van een onafhankelijke rechtspraak wordt allerwege toegejuicht, maar het bestuurlijke cirquit neigt voortdurend tot beïnvloeding van de rechtspraak. Op landelijk niveau roept dit via scherpe protesten in de media en de politiek voldoende tegenkrachten ten gunste van onafhankelijke rechtsmacht op. De corruptie lijkt toe te nemen, maar tegelijkertijd krijgt ook de weerstand ertegen meer aandacht en gewicht.

 

Het presidentschap van Bangladesh is een grotendeels ceremoniële positie, de macht ligt bij de minister-president die het hoofd van de regering is. De president wordt iedere vijf jaar gekozen door het parlement. De beperkte macht van de president wordt uitgebreid in tijden van een overgang tussen 2 regeringen. De president benoemt de minister-president uit de parlementsleden, hij dient hierbij iemand te kiezen van wie hij aanneemt dat die de steun van de meerderheid van de parlementariërs geniet. De president benoemt ook de leden van de hoogste rechtbank, de Supreme Court.

 

 

 

Goed bestuur

 

BARM  staat voor Bangladesh Archives & Records Management en beoogt in Bangladesh wezenlijk tot ontwikkeling en armoedebestrijding bij te dragen door ‘goed bestuur’ (‘good governance’) te bereiken. ‘Goed bestuur’ betekent gelijkheid van de burger tegengesteld aan willekeur, verantwoording afleggen, controleerbaar rechtsverkeer en  handhaving van de wet. Een goed bestuur kan niet zonder betrouwbare administratie. BARM draagt die boodschap uit. Omdat BARM klein is, vraagt BARM een verantwoorde inzet van mensen en middelen die het  bewustwordingsproces en kennisoverdracht op gang houden.

 

BARM is zoals gezegd als gist, een bijna verwaarloosbare materie die een grote deegmassa van structuur doet veranderen.  En dat is precies wat informatie- en archiefbeheer in het maatschappelijke leven doen. Archieven zijn belangrijk.

 

 

 

Het is niet leuk om als burger van loket A naar loket B te worden gestuurd, maar al met al geldt: lang leve de bureaucratie, een bureaucratie die zo efficiënt mogelijk opereert en vooral zonder willekeur. Zonder goede bevolkingsadministratie bijvoorbeeld wordt het wel erg lastig om verkiezingen te organiseren, belasting te heffen en te bepalen hoeveel ziekenhuizen, scholen enzovoort er moeten worden gebouwd. De neerslag van de bureaucratie vinden we in archieven.

 

 

 

Archieven

 

Archiefstukken, je kunt ze achter elkaar leggen in een even eindeloze als nutteloze sliert van Parijs naar Dakar of van Den Haag tot Chittagong. Je kunt ze door de papierversnipperaar halen en er confetti van maken of je kunt ze bewaren, ordenen en beschrijven opdat toekomstige generaties er iets aan hebben bij de bestudering van het verleden.

 

Archieven dienen het geheugen en geweten van de samenleving. Dat besef was zelfs aanwezig in de prille staat Bangladesh. In 1973, enige maanden na de aanvang van de onafhankelijkheid van Bangladesh, werd  een Nationaal Archief opgericht, vooral door toedoen van dr K.M. Karim (geb. 1933) een bibliothecaris. In twee winkelpanden aan New Elephant Road , even ten noorden van het oude centrum van Dhaka, werd een massa archiefbescheiden van het Secretariat (departementale organisatie van het voormalige provinciebestuur van Oost-Pakistan met stukken van de voorganger daarvan, het provinciale bestuur van Bengalen onder de Britse overheersing) gestald en een studiezaal ingericht. De jaarverslagen laten zien met hoeveel inzet en toewijding met een absoluut minimum aan hulpmiddelen en in een klimaat van nogal grote onverschilligheid voor het archiefbeheer van de kant van de politici een nationale archiefdienst werd opgebouwd. In 1976 behoorde Karim tot een van de stichters van de Zuidwestaziatische afdeling van de I.C.A. (S.W.A.R.B.I.C.A.). Personeel werd op archiefcursus gestuurd naar Londen en Delhi (Indiase archiefschool) en in 1983 lukte het Karim, de beslissende handtekening van de toenmalige president, generaal Ershad onder de National Archives Ordinance te krijgen. Deze eerste Bengaalse archiefwet werd in 1986 gevolgd door in gebruikname van een nieuw gebouw voor de National Library & Archives of Bangladesh in het regeringskwartier van Dhaka.

 

 

 

Buiten de werkingssfeer van de National Archives liggen de Dictrict Collectorate Records Rooms (DCRR), in elk van de hoofdsteden van de 17 ‘oude’ districten, zoals ze al in de periode tussen 1772 en 1857 waren ingesteld door de Britse Raj en ook na de Onafhankelijkheid van Pakistan in 1947 en de verzelfstandiging van Bangladesh in 1971 waren blijven bestaan tot de administratieve hervormingen van 1984 onder president Ershad. In zo’n District Collectorate Record Room zijn kadastrale gegevens, bestuursarchieven en dikwijls ook de rechterlijke archieven aanwezig. Het beheer geschiedt nog onder de regels van het Bengal Records Manual 1943 dat teruggaat op een eerste versie uit 1854.  Het beheer beperkt zich tot het zoveel mogelijk onberoerd laten van de massa’s papier, het af en toe bestrijden van insecten, ratten en slangen en het volstouwen van gangpaden en uithoeken van het gebouw met nieuw gevormd archief. Een groot deel van de activiteiten van het personeel beperkt zich tot het afgeven van afschriften uit de openbare hypotheek- en eigendomsregisters  (een dikwijls lucratieve werkzaamheid volgens het motto “every job is a shop” !).

 

 

 

Archieven zijn er niet alleen voor historici, archieven zijn er ook of vooral voor de recht en bewijszoekende burger (ook u) die in een goed geordende papierstroom een betrouwbare, controleerbare en dus niet corrupte overheid herkent.

 

Kloppen de kadastrale gegevens van uw huis, is er vervuilde grond aanwezig op de plek waar u wilt bouwen, hoe loopt nou precies die oude riolering, er schijnt een wat oudere gemeentelijke verordening te bestaan met een kapverbod van de bomen in uw buurt (is dat zo?), u bent uw schooldiploma kwijt en wil toch graag een bewijs hebben dat u bent geslaagd (bent u dat?). Wat zou u er van vinden indien u zo’n bewijs zou kunnen kopen, nee zou moeten kopen, van een sjoemelende ambtenaar die overigens op geen enkele wijze in zou kunnen staan voor de juistheid van die gegevens? Hoe zou u tegen de ‘schoolbewijzen’ van anderen aankijken?

 

 

 

Corruptie

 

De Nobelprijswinnaars North (USA, 1990) en Amartya Sen (India, 1998) en de Peruaanse ontwikkelingseconoom Hernando de Soto  hebben gewezen op het belang van corruptiebestrijding, doorzichtigheid en controleerbaarheid van procedures in het publieke leven en de betrouwbare, aan democratische controle onderhevige administratie en archiefvorming. De Soto wees er ook op, hoezeer elites hun belangen t.o.v. de arme massa’s beschermen door hun eigendomsregistraties af te schermen, de ‘Glazen stolp’, waar men zoveel mogelijk de grote massa met haar economie buiten wil houden. Met daarbij gevoegd de structuur van een ook van buitenaf – door internationaal opererende multinationals  – instandgehouden ‘detentie-economie’ waarbij van vrije prijsvorming voor de verhandeling van de voor export bestemde goederen (denk aan ‘ready made garments’ / kleding) geen sprake is.

 

Bijvoorbeeld een project om een goede, betrouwbare belastingadministratie op te zetten in Bolivia, maakt duidelijk dat papieren en digitale vastlegging van procedure en werkwijze – zowel het arbeidsproces als de juridische bewijsvoering – de infrastructuur vormt. Deze infrastructuur bepaalt de doelmatigheid, de eerlijkheid en de corruptiebestendigheid van het verkeer tussen belastingheffende overheid en belastingplichtige burger en/of rechtspersoonlijkheid.  Zonder zo’n infrastructuur blijven beloften om eerlijk en doelmatig te werk te gaan, steken in goede bedoelingen.

 

 

 

Vergunningverlening door de overheid via heldere procedures verkleint de kans op geknoei – met extra douceurtjes (every job is a shop) voor de ambtenaar of bestuurder – en de willekeur in handhaving van wetten aanzienlijk; openbare en controleerbare archiefvorming dus.

 

Het besef hiervan in de wereld  is  – aarzelend –  groeiend. Dat behoeft ook in Bangladesh  in het kader van de uitvoering van BARM, veel uitleg en discussie.

 

In grote delen van de zogenaamde Derde Wereld ontbrak tijdens de postkoloniale fase een gezonde bureaucratische traditie: weinig inheemse ambtenaren hadden een via generaties opgebouwde kennis van de positieve betekenis van wat zij toch vooral laatdunkend leerden te zien als “bureaucratische rompslomp”, werk van “dorre klerken” die in ondergeschiktheid hun koloniale meesters moesten dienen. Het hoge koloniale en uitheemse ambtenarenkader voelde zich,  net als hun inheemse opvolgers uit de politieke en intellectuele elite van na de onafhankelijkheid, uiteraard te hoog verheven om zich bezig te houden met het laag aangeslagen papierwerk van dossiers, registers en archieven.  Daarnaast is het aankondigen van voedselprogramma’s, woningprojecten, bruggenbouw en – vooral – strijd tegen corruptie veel spectaculairder en meer mediageniek / esthetischer dan het monnikenwerk van het ontwerpen en uitvoeren van registratie en archiefbeheer om die grootse trajecten ook echt vast te leggen en controleerbaar te houden.

 

 

 

Dat in de traditie van de ontwikkelingssamenwerking (nu zo’n halve eeuw oud), van de kant van de donorlanden, ook Nederland, het belang van registratie en archiefbeheer voor het zuiver en doelmatig maken van het publieke bestuurs- en rechtsverkeer ook pas nu onderkend wordt heeft – paradoxaal genoeg –  te maken met de aanwezigheid van een goed toegeruste registratie- en archiveringspraktijk in de ‘Eerste wereld’. Het is als met vanzelfsprekend gemak: wat al lang onopvallend beschikbaar is, wordt niet opgemerkt: in onze archieven wijzen de alom aanwezige rekeningen van stadsbesturen, regentencolleges van gasthuizen, kloosters enzovoort al op een traditie die al ouder dan zes eeuwen is; dit blote feit op zich maakt de relatie tussen archiefbeheer en controleerbaarheid en doelmatigheid voor ons hier zo vanzelfsprekend dat het verband zijn opvallende betekenis kwijtgeraakt is, in elk geval voor bestuurders, managers, en het overgrote deel van niet-archiefmensen in het algemeen. In het kader van de digitale informatiehuishouding is er juist weer aandacht ontstaan voor het nut en de noodzaak van een goede archiveringspraktijk.

 

 

 

Er is nog een andere invalshoek van waaruit men kan zien  waarom in het besef van de meeste mensen in Bangladesh registratie, archiefbeheer en papieren of digitale controleerbaarheid achteloos weggewuifd worden. Een voorschrift in Bangladesh vergt van werkzoekenden, officiële werkzoekenden welteverstaan, het verwerven van een werkvergunning en –inschrijvingsbewijs bij de gemeente. Een uitvloeisel, een concreet papieren uitvloeisel, van wat ooit vast als onderdeel van een wetgeving tot bevordering van werkgelegenheid en economische ontwikkeling bedoeld was, maar echter en helaas allang een wassen neus geworden, nee erger nog, een manier van bestuurders en ambtenaren om via leges (en vooral natuurlijk ook smeergeld) wat extra inkomsten te verwerven. Voor de belanghebbende en rechthebbende burger vertegenwoordigt zo’n werkvergunning alleen maar de zinloosheid, bemoeizucht, vraatzucht enzovoort van politiek, bestuur en bureaucraten en belichaamt een (veelzeggend genoeg!) papieren maatregel. Wat dus het symbool van rechtskracht zou moeten zijn: een schriftelijke verklaring, vergunning, geboortebewijs, visum, paspoort, kadastraal uittreksel enzovoorts, instrument voor die man of vrouw om een doel in het leven te bereiken, of ongunstige krachten in het maatschappelijke leven af te wenden, wordt een karikatuur of belichaming van het tegendeel: willekeur, inkomensvorming van de bureaucratische en politieke knoeier en bloedzuiger. 

 

 

 

Bij het implementeren van BARM moeten dus ook in dit licht veel weerstanden overwonnen worden. Temeer waar ook nog geldt dat een groot deel van degenen die het meeste belang hebben bij het voortbestaan van willekeur, ondoorzichtigheid, gebrek aan verantwoording en wetteloosheid ook de feitelijke maatregelen tot correctie van dat systeem (dat is immers het invoeren van de infrastructuur voor Good Governance!) moeten vormgeven en doorvoeren.

 

In politieke programma’s bij de verkiezingen van bijvoorbeeld  1 oktober 2001 hadden Awami League (AL), Bangladesh Nationalist Party (BNP) en andere partijen programmapunten als accountability, transparency, rule of law, justice, reducing criminal behaviour en corruptiebestrijding in het openbare bestuur en de kwartaire sector. Helaas blijft het vaak bij een dode letter.  

 

 

 

In januari 2007 ontstond er in Bangladesh een Caretaker Government, dat eerst en vooral een reactie was op de voortdurende politieke strijd. Eerlijke verkiezingen werden voorbereid, gebaseerd op betrouwbare kiezerslijsten. De op grond van de nieuwe kieslijsten (gebaseerd op ID cards in samenhang met een invoeren van Bevolkingsregistratie) gehouden verkiezingen van december 2008 maakten het nut van archivering bij registratie van kerngegevens onbetwistbaar duidelijk. Daarmee was de invloed van buitenaf, bijvoorbeld van de Worldbank (vragend om Good Governance sinds 2001) voor het eerst in Bangladesh zelf merkbaar en zichtbaar geworden.

 

‘Right To Information’ (RTI) werd in 2009 bij wet geregeld in Bangladesh. Vanaf dat moment is met horten en stoten een proces op gang gekomen waarin het belang van dagelijks archiefbeheer van nationaal tot plaatselijk bestuursniveau zichtbaar werd. RTI doet burgers, soms aarzelend vanwege een lange traditie van gesloten bestuur, om informatie vragen bij hun overheid. En dat nu precies vraagt om toegankelijke en volledige archieven. Zowel nieuwe als oude. In deze ontwikkelingslijn past ook de verbreiding na 2009 van toepassing van het zogenaamde Citizen’s Charter (servicenormen, afspraken) tot in de sfeer van het plaatselijke bestuur. In de kleinste gemeenten treft men nu de UISC’s aan: Union parishad Information Service Center. Deze UISC’s zorgen voor digitalisering van de Burgerlijke Stand, bieden Internetcommunicatie aan hun locale gemeenschap en leveren overheidsdiensten volgens Citizen’s Charter.  En dan is er nog de beleidskeuze van de regering (sinds 2009) onder het motto “Vision 2021 (50 jarig jubileum van de staat Bangladesh) ‘Digital Bangladesh 2021’. Al dit beleid draagt bij aan een verbreiding van een soort  “informatiegevoeligheid” of “informatiebewustzijn” onder brede lagen van de bevolking die daardoor in  een ongekend intensief contact met de overheid wordt gebracht. Daardoor is het tot voor kort bestaande model van een overheid die, als in de koloniale tijd, veilig afgezonderd van de maatschappij en zich onbespied wanend haar gang kon gaan snel aan het vervagen.

 

Daarmee is overigens nog geen eind gekomen aan het grootste gif in de maatschappij: corruptie, maar meer transparantie is een goed begin.

 

 

 

Stabiliteit in de politiek is er helaas niet en dat  is wel nodig om tot ‘goed bestuur’ te komen. Begin april 2013 schreef journalist Abdul Hannan in de Daily Star (de NRC van Bangladesh): ‘Perhaps poet T.S. Eliot was right when he wrote “April is the cruelest month.” ’ Abdul Hannan is geen helderziende. Hij doelde niet op de aanstaande ramp in het Rana Plaza gebouw in Dhaka op 24 april waar naar schatting 900 textielarbeiders zijn omgekomen, meest jonge vrouwen. Hannan refereerde aan de politieke tegenstellingen: ‘By all indications, the country is teetering on the brink of potential danger of a long-running and bloody civil strife, like that of Afghanistan, Somalia, Sierra Leone and Darfur, under what many describe as the burden of two predominant political parties, the ruling Awami league and the main opposition party BNP, fighting at loggerheads for power. God forbid that it should happen.’ (Daily Star 7 april).

 

 

 

Bewustzijn

 

Veel groepen moeten links en rechtsom bereikt worden met archiefbewustzijn bevorderende activiteiten. Er zijn diverse opleidingsinstituten van overheidspersoneel  die bereikt moeten worden. Via postdoctorale opleidingen moeten veel studenten in richtingen al;s Bestuurskunden, Sociologie, Rechtswetenschap, Geschiedenis, Economie, Informatica, Bedrijfskunde,  Medicijnen, Psychologie op de hoogte worden gebracht van begrippen als ‘good governance’ en ‘right to information’ en het belang daarvan voor de democratische rechtsorde. Dit geldt natuurlijk ook voor boeren, pachters, werknemers in ambacht en bedrijf (loonstrookjes, arbeidscontracten), scholieren en niet in de laatste plaats politici, bestuurders, leden van volksvertegenwoordiging, de rechterlijke macht en ambtenaren.

 

Dat betekent dat een projectorganisatie opgebouwd moest worden die een heel wat langere tijd moet werken dan eigenlijk voor een project goed is. Immers, projectmatig werken vergt een korte looptijd. Als we het hebben over het BARM-project dan gaat het om decennia van bewustmaking (netwerkopbouw en –onderhoud, publiciteit in de grote media en de vakbladen) van publieke opinie, overheden en kwartaire sector en bedrijfssectoren. Daarnaast wordt gewerkt aan het opzetten van een infrastructuur voor archief- en informatiebeheer en –beschikbaarstelling, scholing van archiefpersoneel en informatiebeheerders en wetswijziging (Right to Information Act).

 

 

 

Bij archiefbeheer in Bangladesh denk je niet aan een dringende noodzaak in de sfeer van eerste levensbehoeften; hoe maak je duidelijk, vooral voor buitenstaanders, dat archiefbeheer zeker even wezenlijk is als wegenaanleg en de bouw van havenfaciliteiten?

 

Je moet laten zien dat de relatie tussen corruptie en archiefbeheer onopvallend is voor buitenstaanders maar  niet voor direct betrokkenen.

 

 

 

Ontwikkelingssamenwerking

 

Een  belangrijk ijkpunt in de Nederlandse ontwikkelingssamenwerking is de aanwezigheid van betrouwbaar bestuur, ‘good governance’ in een voor hulpverlening in aanmerking komend land.  Nu is hier al meteen sprake van een paradox: enerzijds kan een te helpen land alleen maar in aanmerking komen voor hulp wanneer er voldoende elementen van betrouwbaar bestuur aanwezig zijn, anderzijds is nu juist een wezenskenmerk van de sociaaleconomische en technische onderontwikkeling – waarin ons ontwikkelingsbeleid als donorland soelaas wil bieden – het slecht functioneren van bestuur en rechtsstelsel.

 

Bangladesh behoort tot de groep landen waarmee ons land een intensieve  ontwikkelingssamenwerking heeft ontwikkeld, teruggaand tot 1972 toen de nieuwe staat ontstond uit het Pakistaanse Oost-Bengalen. Voor 1971 was er al een hulprelatie met Pakistan waarvan Bangladesh toen de oostelijke helft uitmaakte. Het land is bijna 4 maal zo groot als Nederland en kent  met zijn [160….FG 7 mei 2013] miljoen inwoners een ernstig overbevolkingsvraagstuk. Mede onder invloed van een massale toepassing van kunstmest, irrigatie en plantveredeling is het beeld van massale hongersnoden verleden tijd geworden. De gemiddelde levensduur ligt op 50 jaar en het onderwijs heeft geresulteerd in een alfabetisering van ruim 30%. Sedert onderwijshervormingen van 1993 vertoont het aantal vrouwen met scholing een opvallende stijging.

 

De laatste jaren speelt ook de verspreiding van mobiele telefoons (China dumpt overschotten in productie in landen als Bangladesh) een rol bij alfabetisering. Een vrouw op het platteland die een sms kan sturen naar een dokter in het dichtstbijzijnde dorp heeft daar (levens)belang bij. Een dicht en goed werekend computernetwerk heeft Bangladesh niet, maar  de mobiele telefoons/smartphones zijn niet meer weg te denken uit het straatbeeld. Ze functioneren ook als verbinding met het Internet.

 

 

 

In de Europese contekst zijn vooral landen als Noorwegen, Zweden en Denemarken gericht op culturele ontwikkeling, denk aan behoud van het culturele erfgoed. Engeland heeft als centrum van de Common Wealth speciale belangstelling voor institutionele ontwikkelingssamenwerking, bij uitstek het terrein van het bevorderen van ‘good governance’ .

 

Nederlandse organisaties en bedrijven hebben zich vooral ingezet op het gebied van onderwijs, gezondheidszorg, waterbeheer en de ontwikkeling van landbouw en veeteelt. In dit beleid geldt als bijzonder aandachtpunt de positie van nietbevoorrechten, zoals de vrouwen, landloze families en minderheden.

 

Gedurende het laatste decennium is steeds meer het inzicht gegroeid dat versterking van overheidsfunctioneren en de ontwikkeling van instellingen in het maatschappelijk middenveld, zoals we dat hier in ons land noemen, basisvoorwaarde is voor gewenste sociale en economische ontwikkeling.  

 

In dit veld is in 1995 door toedoen van prof. Dr Ratan Lal Chakraborty, en zijn collega’s  Muntasir Mamoon, Sirajul Islam en Sharifuddin Ahmed en Floor Geraedts (toen gemeentearchivaris van Leidschendam), het archiefproject Bangladesh van start gegaan, oorspronkelijk als antwoord op vragen vanuit hun onderzoeks- en onderwijspraktijk in het History Department van Dhaka Universityen de directie van de National Library & Archives of Bangladesh in Dhaka. Het project, vanaf 1996 onder de naam BARM  (Bangladeshi Archives & Records Management), werd in 1998 –  door bijzondere inspanning van (toen nog) gemeentearchivaris van Leiden, Theo Schelhaas  – opgenomen in de activiteiten van de Stichting Saamhorigheidsfonds Heemstede en in 1999 geadopteerd door de Kring van Zuid-Hollandse Archivarissen.

 

 

 

Wat heeft BARM bereikt?

 

Programma van BARM was het met elkaar in contact brengen van voor het archiefbeheer relevante personen en instellingen, in Bangladesh en in tweede instantie daarbuiten. De meeste historici in Bangladesh zijn niet vertrouwd met archiefonderzoek. De studiezalen van de National Archives zijn voor hun onbekend terrein, evenals de 17 District Collectorate Records Rooms verspreid over het land. Deze DCRR’s zijn combinaties van kadaster, gerechtelijke archieven in de regio en bestuursarchieven, opgericht vanaf 1759 en nog steeds in werking.

 

 

 

De reizen naar Bangladesh hebben ervoor gezorgd dat collega’s in Bangladesh opleidingen hebben genoten (van cursussen ter plaatse, ‘train the trainers’, tot uitzending naar India) en hebben de collega’s in contact gebracht met internationale netwerken (ICA, NL, Skandinavië). De bezoeken hebben geleid tot de oprichting ter plekke van BARM-Society. De relatie tussen BARM en BARM Society is verankerd bij de Commissie Archival Solidaity van de KVAN. Het zogenaamde ‘’Heritage Centre” in Rajshahi (een IISG in de dop) heeft ondersteuning gekregen. Vakkennis wordt uitgewisseld onder meer via de weblog http://bangladesharchives.wordpress.com en vooral ook de Facebookgroep ‘Friends Of Archives of Bangladesh’ (= FAB).  Het aanboren van in Bangladesh aanwezige kennis werd ook vormgegeven door het zoeken van samenwerking met ICDDR,B (Archief-  en bibliotheekafdeling) en Information Science & Library Management Deptartments en Computer Science & Engineering – departments van verschillende universiteiten. Soms is er een uitwisseling van studenten, en collega’’s (Universiteit Leiden, internationale conferenties). In Bangladesh zelf heeft de Right to Information Act bijgedragen aan de bewustwording van het belang van een goede administratie voor goed bestuur. Het regeringsprogramma ‘digital Bangladesh 2021’ stimuleert de digitale ontwikkelingen.

 

BARM is ondertussen een Stichting geworden met ANBI-status. Dat helpt bij fondsenwerving. Stichting “De Pelgrimshoeve Zoetermeer”, Stichting Saamhorigheidsfonds Heemstede, Kledingfonds KICI en Rotary-clubs hebben tot nu toe ondersteuning verleend.

 

 

 

Een sterke nadruk in het BARM-programma ligt op opleidingen. Waarop zijn de cursussen en trainingen gericht? Medewerkers van de nationale archiefdienst hebben vooral belangstelling voor de aanpak van dagelijks terugkerende problemen op het gebied van, materieel beheer en dienstverlening. Wat voor specifieke kennis of vaardigheden hebben wij hun te bieden? Die liggen bijvoorbeeld op het vlak van organisatie en planning. Zelf hebben zij aanzienlijke talenten op het vlak van functioneren in minimale omstandigheden en wanneer het op improviseren aankomt. Eenmalige acties waarvan de uitwerking kortdurend is kunnen zo heel bevredigend tot stand komen. In de wereld van archiefbeheer en informatiebeleid heb je natuurlijk nogal sterk met langlopende processen te maken. Daarin een juiste ‘rijsnelheid en koers’ bepalen vergt zorgvuldige planning en organisatie. 

 

 

 

Bijvoorbeeld tijdens conferenties in november 1997, februari 1998 en oktober 1999 waarbij het nationale historische genootschap (Bangladesh Itihas Samiti) en diverse historische instituten en het Nationaal Archief betrokken waren, kwam aandacht voor het uitzonderlijk gebrekkige archiefbeheer en bleek ook grote belangstelling voor betere huisvesting, opleiding van personeel en een hervorming van het archiefwezen. Groot knelpunt, altijd weer,  is hoe de (ontluikende) belangstelling voor de noodzaak van goed archiefbeheer kan worden omgezet in een structurele planning en  programma en de financiering daarvan. Het tempo is wisselend en vaak een kwestie van een paar stappen vooruit en een paar stappen achteruit.

 

 

 

Samenwerking van BARM – Society met ‘Prothom Alo’, een belangrijke landelijke krant in Bangladesh, heeft vanaf 2010 een versterking ingeluid, met name inzake netwerkopbouw. Intensivering van het archiefbewustzijn en kennisdeling via studiedagen, ook samen met de National Archives of Bangladesh, krijgen hierbij extra aandacht.

 

Begin januari van 2013 is vanuit het Archival Department van ‘Prothom Alo’ een groep van start gegaan: Friends of Archives Bangladesh, met een gelijknamige Facebookgroep als belangrijkste forum. Deze groep, Friends of Archives Bangladesh (FAB) heeft ook contact met  Bondhushova, de vereniging van vrijwilligers van ‘Prothom Alo’, zo’n tweehonderd meest jonge mensen die zich maatschappelijk willen inzetten in allerlei sectoren en daarmee ook hun arbeidsmarktpositie willen verbeteren. Hiermee wordt een versterking van het uitstralingseffect van BARM bereikt. 

 

Ook het beschikbaarstellen van Nederlandse archiefbronnen, vooral vanuit het VOC-archief in het NA in Den Haag, via scanning, transcriptie en vertaling heeft, gestart op verzoek van het Archival Department van genoemde krant, tot doel bij te dragen aan verdere ontwikkeling van de Bengaalse geschiedschrijving.

 

  

 

Wat willen  BARM en BARM-Society nog bereiken?

 

Bovenstaande doet wellicht vermoeden dat BARM gebaat is bij een enorme ‘pot geld.’ Hoewel de financiering ronduit onvoldoende is – ondersteuning voor de reizen en het opzetten van een programma –  blijft meer dan welkom , is dat laatste niet het geval.  BARM stelt zich op het standpunt dat alle initiatieven ter plekke moeten worden ondersteund, hetzij in menskracht, hetzij in bescheiden (hoe bescheiden dan ook) financiële middelen. Grote geldstromen trekken meestal de verkeerde mensen aan en leiden niet vanzelfsprekend tot grote daadkracht.

 

 

 

Het opzetten van een structurele archiefopleiding in Bangladesh blijft het speerpunt van BARM en BARM-Society. De komende twee jaar zullen alle inspanningen daar op worden gericht, opdat het jubileumjaar 2015 waardig kan worden afgesloten.

 

 

FG/RS mei. 2013  

আন্তর্জাতিক আর্কাইভস দিবসে আমাদের করণীয়: মুহাম্মদ লুত্ফুল হক

আন্তর্জাতিক আর্কাইভস দিবসে আমাদের করণীয়

মুহাম্মদ লুত্ফুল হক

 ImageImage

৯ জুন আন্তর্জাতিক আর্কাইভস দিবস। ২০০৪ সালে আর্কাইভস এবং দলিলপত্র সংরক্ষণ বিষয়ে সর্বোচ্চ আন্তর্জাতিক সংস্থা Èইন্টারন্যাশনাল কাউন্সিল অন আর্কাইভস’ (আইসিএ) সদ্ধিান্ত নেয় যে প্রতি বছর Èআন্তর্জাতিক আর্কাইভস দিবস’ পালন করা হবে। দিন হিসেবে আইসিএ-এর প্রতিষ্ঠা দিবস অর্থাত্ ৯ জুনকে বেছে নেয়। আর্কাইভস দিবসের মূল আবেদন হচ্ছে জনসাধারণ ও নীতি নির্ধারকদের মধ্যে আর্কাইভস এবং দলিলপত্র সংরক্ষণ বিষয়ে সচেতনতা বৃদ্ধি করা। স্বীকার করতে কোনো আপত্তি নেই যে বাংলাদেশে আর্কাইভস ও দলিলপত্র সংরক্ষণ বিষয়ে সাধারণ মানুষের ধারণা খুবই অস্বচ্ছ, আর নীতি নির্ধারকদের অধিকাংশই এ বিষয়ে উদাসীন।

একটি জাতির অতিতের সকল কর্মকান্ডের দলিলপত্র আর্কাইভসে সংরক্ষিত থাকে। সংরক্ষিত দলিলপত্র দেশের সরকার বা সরকার বহির্ভূত সংস্থা, এমনকি ব্যক্তি বিশেষকে অর্থনৈতিক, রাজনৈতিক, সামাজিক, সাংস্কৃতিক বিষয়ে নির্ভূল তথ্যাদি সরবরাহ করে, এতে বর্তমান বুঝা এবং ভবিষ্যত পরিকল্পনা করা সহজ হয়। জাতি এ সমস্ত সংরক্ষিত দলিল থেকে ভবিষ্যত্-এর পথ খুজে পায়। বিভিন্ন স্তরে বা বিষয়ে আর্কাইভসের ধরন বিভিন্ন হয়ে থাকে। প্রতিটি দেশেই সরকারি পর্যায়ে একটি জাতীয় আর্কাইভস থাকে যার অধীন একাধিক প্রাদেশিক, আঞ্চলিক বা শাখা আর্কাইভস থাকতে পারে। জাতীয় আর্কাইভসে দেশের সকল সরকারি সংস্থা এবং বিশেষ বিশেষ ক্ষেত্রে বেসরকারি সংস্থা ও ব্যক্তির ঐতিহাসিক গুণসম্পন্ন রেকর্ড বা দলিলপত্র সংরক্ষন করা হয়। জাতীয় আর্কাইভসকে বলা হয় জাতির স্মৃতি। স্থানীয় অর্থাত্ শহর ও নগর পর্যায়ে পেৌরসভা আর্কাইভস গঠন করা হয়। সেখানে মূলত শহরের ব্যক্তি, সংস্থা ও সংগঠন, বাসস্থান ও স্থাপনা, সামাজিক ও রাজনৈতিক কর্মকাণ্ড, খাজনাসহ বিভিন্ন অর্থনৈতিক কর্মকান্ড ইত্যাদি বিষয়ের তথ্যাদি সংরক্ষণ করা হয়। এর বাইরে বিষয় ভিত্তিক আর্কইভসও গঠিত হয়, যেমন ফিল্ম আর্কাইভস, ক্রীড়া আর্কাইভস ইত্যাদি। বিভিন্ন সরকারী বা বেসরকারী সংস্থাও নিজেদের সংস্থাভিত্তিক আর্কাইভস গঠন করে থাকে, যেমন, বিশ্ববিদ্যালয় আর্কাইভস, টি আর্কাইভস ইত্যাদি। বেসরকারী পর্যযায়েও আর্কাইভস গঠিত হতে পারে, যেমন, হেরিটেজ আর্কাইভস ইত্যাদি।

১৯৪৭-এর পর হতে এদেশে দলিল ব্যবস্থাপনায় ধ্বস নামা শুরু হয় আর ১৯৭১ পরবর্তীতে তা আরো বেগবান হয়। পূর্বে সরকারী রেকর্ডরুমে কাজ করাকে পেশাগতভাবে যতটা গুরুত্ব দেয়া হতো বা এখানে কাজ করার মধ্যে কর্মকর্তা/কর্মচারীরা যতটা গেৌরববোধ করতেন, তা এখন আর নেই। বেশীরভাগ কার্যালয়ে এখন কোন রেকর্ডরুম, রেকর্ড অফিসার/কিপার বা রেকর্ড সংরক্ষণের বাজেট নাই। যদি কোথাও অতিতের রেকর্ডরুম এখনও টিকে থাকে তবে তা অন্ধকারাচ্ছন্ন, ঝুলে ভর্তি, চামচিকা, বাদুড়, সঁাপ, ব্যাঙ, ইদুরের আখড়া। সচিবালয়ে একটি কেন্দ্রীয় রেকর্ডরুম আছে অথচ দীর্ঘদিন হতে এখানে কোন দলিল জমা পরছেনা। হালে সচিবালয়ে স্থান সংকটের কারণে কেন্দ্রীয় রেকর্ডরুমের জন্য নির্দ্দষ্টি স্থানকে সংকুচিত করা হয়েছে।

বাংলাদেশে আর্কাইভস এবং দলিলপত্র সংরক্ষণে সরকারের প্রতিনিধিত্বশীল ও সর্বোচ্চ সংস্থা হচ্ছে Èন্যাশনাল আর্কাইভস অব বাংলাদেশ’ বা Èবাংলাদেশ জাতীয় আর্কাইভস’, এটি ১৯৭৩ সালে প্রতিষ্ঠা লাভ করে। এখানে জমা আছে দেশের সকল গুরুত্বপূর্ণ সরকারি ও বেসরকারী দালিলপত্র। জাতীয় আর্কাইভসকে শক্তিশালী করা বা কার্যকর করার জন্য ১৯৮৩ সালে জারি হয় Èন্যাশনাল আর্কাইভস অর্ডন্যান্স’। এই অর্ডন্যান্সের বলে জাতীয় আর্কাইভস দেশ ও বিদেশ থেকে জাতীয় গুরুত্বপূর্ণ দলিলপত্র সংগ্রহ করে এবং তার তালিকা প্রস্তুত ও প্রকাশ করে, বেসরকারি পর্যায়ের সকল আর্কাইভসকে প্রযুক্তিগত সহায়তা দেয়, দলিলপত্রের ব্যবহার, বিন্যস্তকরণ, ব্যবস্থাপনা, রক্ষণাবেক্ষণ, ধ্বংস, হস্তান্তর ইত্যাদি বিষয়ে প্রয়োজনীয় নিতীমালা, বিধীমালা, নির্দেশিকা প্রণয়ন করে, সর্বপরি জনসাধারনের সচেতনতার জন্য নিয়মিতভাবে আর্কাইভস ও দলিলপত্রের প্রদর্শনী করে। উন্নত ও সভ্য দেশগুলিতে আর্কাইভসকে যথষ্টে মর্যাদা ও গুরুত্ব দেয়া হয়। আমেরিকার জাতীয় আর্কাইভস একটি স্বাধীন ফেডারেল এজেন্সী, জাপানের জাতীয় আর্কাইভস একটি স্বশাসিত সংস্থা। বাংলাদেশে অধ্যাদেশ অনুযায়ী জাতীয় আর্কাইভস স্বতন্ত্র অধিদপ্তর হওয়ার কথা থাকলেও এখনো তা সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের অধীন একটি অধিদপ্তরের দুই শরিকের এক শরিক মাত্র।

যে কোন আর্কইভসে মোট সংগ্রহের পরিমান সাধারনভাবে সেল্ফ-কিলোমিটার পদ্ধতিতে উলে্লখ করা হয়, দলিলপত্রের সেল্ফসমূহকে পাশাপাশি রাখলে যে দৈর্ঘয দাড়ায় সংগ্রহের পরিমান তত কিলোমিটার ধরা হয়। নেদারল্যন্ডের জাতীয় আর্কাইভসের সংগ্রহ ৯৩ কিলোমিটার আর ভারতের জাতীয় আর্কাইভসের সংগ্রহ ৪০ কিলোমিটার। বাংলাদেশ জাতীয় আর্কাইভসে সংগৃহিত দলিলের পরিমান এখনও নির্ণিত হয়নি, তবে তা কোনভাবেই ১ কিলোমিটারের অধিক হবেনা। সরকারি কর্যালয়সমূহ হস্তান্তরযোগ্য দলিলপত্র নষ্ট, ধ্বংস ও বিক্রী করলেও অধ্যাদেশের নির্দেশানুযায়ী আর্কাইভসকে হস্তান্তর করতে নারাজ (বিচ্ছিন্ন দু’একটি ঘটনা ছাড়া)। জাতীয় আর্কাইভস দলিল সংগ্রহের জন্য প্রশাসনের বিভিন্ন স্তরে যোগাযোগ ও প্রতিনিধি প্রেরণ করে বা পত্রিকায় বিজ্ঞাপন দিয়েও সরকারী ও বেসরকারী পর্যায়ে বিশেষ সাড়া পায়নি। কিছুদিন পূর্বে জেলা প্রশাসকদের সভায় জাতীয় আর্কাইভসে দলিলপত্র প্রেরণ বিষয়ে সদ্ধিান্ত হলেও বাস্তবায়নের গতি অত্যন্ত মন্থর। অধ্যাদেশ অনুযায়ী জাতীয় আর্কাইভস দলিলপত্র বিষয়ে কোন নিতীমালা, বিধীমালা বা নির্দেশিকা প্রকাশ করেনি। বিভিন্ন সরকারী কার্যালয়ে এখনও প্রায় বাতিল হয়ে যাওয়া রেকর্ড ম্যানুয়াল ১৯৪৩ অনুসৃত হচ্ছে।

বাংলাদেশ জাতীয় আর্কাইভসের সবচাইতে বড় সমস্যা হচ্ছে জনবল। আর্কাইভসে মোট জনবল ৩৪ জন । এরমধ্যে ৪ জন প্রথম, ১ জন দ্বিতীয় এবং ১৩ জন তৃতীয় শ্রেনীর কর্মকর্তা। ভারতের জাতীয় আর্কাইভসে ৬০ জন এবং পাকিস্থান জাতীয় আর্কাইভসে ৩০ জনের অধিক ১ম ও ২য় শ্রেনীর কর্মকর্তা আছে, মালয়েশিয়ার জাতীয় আর্কাইভসে শুধু বাধাই শাখাতেই ৪০ জন স্টাফ আছে। প্রারম্ভিক চাকুরী হিসেবে তৃতীয় শ্রেনীর কর্মকর্তা পদে যোগদানে শিক্ষিত ও যোগ্যরা উত্সাহিত হয়না, উপরন্তু সাংগঠনিক কাঠামোয় বিভিন্ন পদে পদোন্নতির সূযোগও কম, ফলে আর্কাইভসে যে ধরনের মেধা দরকার তা নাই।

সংগৃহিত অনেক প্রাচীন দলিলপত্র আর্কাইভসের বিভিন্ন কক্ষে দীর্ঘদিন হতে স্তুপ আকারে মজুদ আছে, এভাবে আর কিছুদিন থাকলে এগুলি বিনষ্ট হয়ে যাবে। রক্ষিত দলিলপত্র দীর্ঘমেয়াদী সংরক্ষণ ও বিনষ্টকারী কীটপতঙ্গের আক্রমণ থেকে রক্ষার জন্য যে সমস্ত আধুনিক পদ্ধতি প্রচলিত আছে আর্কাইভসে তার অভাবে আছে, ফলে অনেক প্রাচীন, ঐতিহাসিক ও গুরুত্বপূর্ণ দলিলপত্র হুমকির সম্মুখীন এবং ধীর প্রক্রিয়ায় ধ্বংস হচ্ছে। Èদি ইংলিশম্যান’ পত্রিকার উনবিংশ ও বিংশ শতাব্দির কয়েক দশকের সংখ্যা আর্কাইভসের অত্যন্ত দুসপ্রাপ্য সংগ্রহ, কিন্তু যথাযথ সংরক্ষণের অভাবে এর অনেক সংখ্যাই এখন ব্যবহার অনুপযোগী হয়ে পড়েছে। আর্কাইভসে মজুদ দলিলপত্রের ক্যাটালগ দীর্ঘদিনেও হালনাগাদ ও পূর্ণঙ্গ করা হয়নি। অনেক নতুন সংগ্রহের ক্যাটালগ এখনও তৈরী হয়নি।

জাতীয় আর্কাইভসে মূলত কাগজ নির্ভর দলিলপত্রের মজুদ আছে; ফটোগ্রাফিক, ম্যাগনেটিক, ইলেক্ট্রনিক বা ডিজিটাল তথ্য, অডিও-ভিডিও দলিলপত্র ইত্যাদির সংগ্রহ নাই। বহির্বিশ্বে ডিজিটাইজেশনের মাধ্যমে দলিলপত্রের একাধিক নকল সৃষ্টি করে মূল দলিলের ব্যবহার সীমিত করা হচ্ছে, এতে মূল দলিলের আয়ূ বৃদ্ধি পাচ্ছে; উপরন্তু ডিজিটাইজ করা দলিল থেকে অনেক নকল সৃষ্টি করা সম্ভব এবং এ সমস্ত বিকল্প দলিলের আয়ূও অনেক বেশী। কিছুদিন পূর্বে আর্কাইভসের কিছু প্রাচীন দলিলপত্র ডিজিটাইজ করা হয়েছে, যা তালাবদ্ধ অবস্থায় আছে, তথ্যসন্ধানী ও গবেষকদের জন্য উম্মুক্ত নয় বা তা ব্যবহার করার কোন সূযোগও আর্কাইভসে নাই। জাতীয় আর্কাইভসে মজুদ কাগজে সৃষ্ট দলিলসমূহের দীর্ঘমেয়াদি সংরক্ষণের জন্য মাইক্রোফিল্ম বা ডিজিটাইজ করার একটি প্রকল্প কর্তৃপক্ষ গ্রহন করেছে এবং এ খাতে বরাদ্দও পাওয়া গেছে তবে এ বিষয়ে বিশেষজ্ঞ না থাকায় এখনও কোন পরিকল্পনা করা হয়নি।

জাতীয় আর্কাইভসের একটি উপদষ্টো পরিষদ আছে, সেখানে শক্তিশালী সকল মন্ত্রণালয়ের উচ্চপদস্থ কর্মকর্তা এবং বিশ্ববিদ্যালয়ের জ্যৈষ্ঠ শিক্ষকরা সদস্য। আর্কাইভসের গুণগত মান পরিবর্তনে তারাও কোন অবদান রাখতে পারেননি। তাদের সভায় কোন নীতিগত সদ্ধিান্ত গ্রহন করা হয়না, ফলে এটি একটি নিয়ম রক্ষার পরিষদে পরিনত হয়েছে। প্রচলিত নিয়মে প্রতি তিন মাস পরপর সভা হওয়ার কথা থাকলেও গত এক-দেড় বছরের অধিক সময় উপদষ্টো পরিষদের কোন সভা অনুষ্ঠিত হয়নি।

বাত্সরিক বাজেটে আর্কাইভস প্রয়াজনের তুলনায় অতি নগন্য অর্থ বরাদ্দ পেয়ে থাকে। ২০০৯-১০ বছরে আর্কাইভসের জন্য ব্যায় হয়েছে মাত্র ৩/৪ লক্ষ টাকা, এ অর্থ আর্কাইভসের কোন প্রয়োজন মিটাতে সক্ষম হয়নি। তবে আনন্দের কথা যে আর্কাইভস সরকার ও বিদেশী সংস্থা থেকে বিভিন্ন প্রকল্পের আওতায় প্রায় ৩৫ কোটি টাকা বরাদ্দ পেয়েছে, এদ্বারা নির্মাণ কাজ ও যন্ত্রপাতি ক্রয় করা হবে। এছাড়া আরও ১০/১৫ কোটি টাকা পাইপ লাইনে আছে। এই সকল অর্থ দিয়ে আর্কাইভসের প্রায় সকল মেৌলিক চাহিদা পূরন হবে এবং অনেকাংশে যুগোপযোগী হয়ে উঠবে, তবে প্রশিক্ষিত, যোগ্য ও দরকারী জনবলের অভাব বা ঘাটতি সহসাই পূরণ না হলে ব্যায়বহূল প্রকল্পগুলি থেকে প্রত্যাশিত ফল পাওয়া যাবেনা বরং বরাদ্দপ্রাপ্ত অর্থের অপচয়ই হবে।

দেশের সার্বিক দলিলপত্র সংরক্ষন ও জাতীয় আর্কাইভসের এই চিত্রকে সামনে রেখে আন্তর্জাতিক আর্কাইভস দিবসে আমরা সাধারণ মানুষকে জানাতে চাই যে দলিলপত্র শুধু ইতিহাস রচনার উপকরণই নয় এটি অমাদের আত্মপরিচয় এবং অধিকার প্রতিষ্ঠারও হাতিয়ার, তাই আসুন আর্কাইভস ও দলিলপত্র বিষয়ে সচেতন হই। এ দিবসে কার্যনির্বাহীদের মনে করাতে চাই যে দলিলপত্রের যথাযথ ব্যবহার সুশাসন ও উন্নয়নের সহায়ক, তাই আসুন দলিলপত্র সংরক্ষনে যথাযথ পদক্ষেপ নেই। একইভাবে নীতি নির্ধরকদের কাছে আবেদন থাকবে যে ২৭ বছরের পুরাতন আর্কাইভস অধ্যাদেশ, যা অনেকভাবেই বর্তমানে অপ্রয়োজনীয় হয়ে পড়েছে, তাকে হালনাগাদ করুন। জাতীয় আর্কাইভসকে স্বতন্ত্র মর্যদা ও ক্ষমতা দিয়ে আরও শক্তিশালী করুন, যাতে করে জাতীয় ইতিহাস ও ঐতিহ্য সংরক্ষন এবং ভবিষ্যত্ পরিকল্পনা প্রণয়নের সাহায্যার্থে এটি যথাযথ পদক্ষেপ নিতে পারে। একইসাথে অন্যান্য দেশের ন্যায় সরকারী দলিলপত্রের সংরক্ষণ ও ব্যবস্থাপনার জন্য Èপাবলিক রেকর্ডস এক্ট’ প্রণয়ন করতে হবে। নীতি নির্ধারকদের মনে করিয়ে দিতে চাই যে দেশে তথ্য অধিকার আইন কার্যকর হয়েছে অথচ Èপাবলিক রেকর্ডস এক্ট’-এর অভাবে তা গতি পাচ্ছেনা।

 

 

 

 

Introducing of National Archives of Bangladesh : Mizanur Rahman

Image

 

Introducing of National Archives of Bangladesh

 Mizanur Rahman

All sorts of past records and documents of a nation are being preserved in the Archives. These evidences help us to explain and reconstruct the history of political, economical, social and cultural. Generally the archives is a repository of historically important public and private records, government documents, rare books, manuscripts, letters, diaries, maps, paintings, photographs, newspapers, government yearly reports etc. of by-gone days which have been selected for permanent preservation. Regarding the preserving system archives might be digital and conventional. The concept of digital archiving is very recent. We are generally familiar to conventional archiving. There are different types of archives such as,

1.      Municipalities Archives is constructed in city and town areas like Dhaka Municipality Archives.

2.      Thematic Archives basically based on a particular themes like Tea Archives, Film Archives, Radio Archives and Sports Archives.

3.      Autonomous org/institutional Archives might be seen in autonomous institutions like College Archives and University Archives.

4.      Non-Govt./Private Archives is established by the initiative of personal or society like Heritage Archives in Rajshahi District.

5.      Corporate Archives is erected in corporate business building. The corporate houses produce everyday different types of records. They preserve all in their own way. Such as Prothom Alo Archives, SK+F Archives and Daily Star Archives.

6.      Religious Archives is also an important repository. We could not reconstruct the history of middle age without the records of then church.

7.      Personal or Private collections might be called personal archives. The people collect photos, paintings for their personal interest and write letters, and diaries all might be archival documents if it has historical value.

8.      Museum is also a kind of archives. Because the museums also preserve and display the documents, records, paintings, photographs and so on.

9.      Government Archives is a big repository of a nation. Every country has a national archive which is run by the government. There might be many regional, provincial or branches archives under the central archives. It is said that National Archives is a repository of information and memories of a nation. National Archives of Bangladesh (NAB) is the highest and representative institution for preserving records in Bangladesh which was founded in 1973.

                  During the Muslim era, the government preserved centrally all documents in Mahafejkhana. But it was not in scientific and systematic way. After the establishment of British Rule in the Sub-continent the Secretariat administration with all its paraphernalia began to develop. New ministries started functioning resulting in the opening of new departments and offices. With the increase of Secretariat files and records it was keenly felt to sort them out by transferring the important ones to a central repository and destroying the useless one. Hence the Imperial Records Department was established in Calcutta in 1891 which was later on transferred to Delhi to be named as National Archives of Delhi in 1911.

After the partition of India in 1947 the National Archives of Pakistan was established in Karachi in 1951 under the Directorate of Archives and Libraries. It is a matter of great sorrow that the Pakistani govt. did not establish any branch archives in East Pakistan (present Bangladesh). After the Liberation of Bangladesh in 1971, the Government of the People’s Republic of Bangladesh established National Archives of Bangladesh in 1973 in Dhaka under the Directorate of Archives and Libraries. But the National Archives had not any power to collect and preserve the documents. So the government has promulgated a National Archives Ordinance in 1983 in order to provide for the establishment of National Archives and for the collection, preservation, maintenance and administration of permanent records and archives of the Government. Now National Archives is under the Cultural Minister of Bangladesh’s government. 

If someone goes to National Archives they could not use the records of NAB immediately. They have to need some formalities. In this case, the foreigners and local people both should follow these rules. They have need a recommendation letter and to fill up the application form with two photographs. The foreigners should provide photocopy of passport. In addition, the strangers should fill up the requisition form. Of course, this requisition form should be filled up accurately to see the catalogue books. Otherwise, the records lifters could not found the records consequently the researchers will not get the records. There are many catalogue books in National Archives. I am mentioning few among them in the below:

1.      Dinajpur District Collection (1785-1881)

2.      Rajshahi District Collection (1783-1878)

3.      Rangpur District Collection (1777-1879)

4.      Rangpur District Collection (1778-1984)

5.      Mymensing District Collection (1787-1869)

6.      Sylhet District Collection (1778-1878)

7.      Chittagong District Collection (1760-1900)

8.      Comilla District Collection (1784-1867)

9.      Barisal District Collection (1790-1887)

10. Dhaka District Collection (1781-1938)

11.  Faridpur District Collection (1793-1979)

12.  Bangladesh Forms and Publication Department (1940-2007)

13.   Bangladesh National Parliamentary Debates (1973-2001)

14.  Bangladesh Secretariat Record Room (1949-85)

15.  Calcutta, Pakistan, Dhaka and Bangladesh Gazettes (1833-1990)

16.  Dhaka City Corporation Records (1826-1955)

17.  Different political party’s manifesto of election and poster (1973-2001)

18.  East Bengal and Assam Secretariat (1875-1948)

19.  Jessore Collection (1798-1988)

20. List of Maps (1854-1947)

21.  List of Press clippings (1971-1988)

22. Printed Proceedings/A proceedings (1859-1932)

23. Sylhet Proceedings (1874-1948)

24. Wooden Bundles (1858-1964)

25. List of Newspapers

a. The Dawn (1946-1971)

b. Daily and Weekly newspapers (1951-88)

c. Daily newspapers (1975-97)

[N.B. I did not mention all the names of catalogue books]Image

আর্কাইভস ও নথি ব্যবস্থাপনা

Normal
0

 

     আর্কাইভস ও নথি ব্যবস্থাপনা

মীর সাহেব

 

Image 

যে কোন দেশের অতীতের শিক্ষা, সংস্কৃতি, ইতিহাস, অর্থনৈতিক, সামাজিক, ভেৌগলিক, রাজনৈতিক ও প্রশাসনিক সহ সকল প্রকার কর্মকান্ডের নিদর্শন ও দালিলিক প্রমান পাওয়ার একমাত্র নির্ভরযোগ্য মাধ্যম হলো লিখিত নথিপত্র ও দলিল দস্তাবেজ। একটি দেশ ও জাতি কতটুকু উন্নত সেটি তাদের আর্কাইভস বা সংর

ক্ষিত নথিপত্র হতে বোঝা যায়। নথিপত্র ও আর্কাইভস এর গুরুত্ব ও প্রয়োজনীয়তা সম্পর্কে বলা হয় – Archives is the memory of a Nations and tools of administration.

কোন দেশের আর্কাইভসের প্রশাসনের দুটি দিক আছে। প্রথমত: নথি ব্যবস্থাপনা যা নথি সৃষ্টির কালকে, তার রক্ষনাবেক্ষন এবং অপ্রচলিত নথি সমূহের সঠিক মূল্যায়ন, অপসারণ, বিনষ্টিকরণ ইত্যাদি। দ্বিতীয়ত: ঐতিহাসিক গুনসম্পন্ন নথিপত্র আর্কাইভসে স্থানান্তরিত হলে তা আর্কাইভস ব্যবস্থাপনার আওতায় পড়ে। তখন থেকে একজন আর্কিভিস্টকে সেগুলোর মেরামত, বাঁধাই, সংরক্ষণ এবং অন্যান্য গবেষকদের ব্যবহারের জন্য শ্রেনীকরণ, বর্ণনা ও তালিকা প্রস্তুত করে তথ্য সরবরাহ করতে হয়।

 

নথি ব্যবস্থাপনা সম্পর্কে ধারণা পেতে হলে প্রথমেই আমাদের জানা দরকার নথি বা রেকর্ড কি?

ইংরেজী রেকর্ড শব্দটি ল্যাটিন শব্দ থেকে এসেছে এর অর্থ মনে মানুষ স্বাভাবিকভাবে সবকিছু মনে রাখতে পারে না, তাই ভবিষ্যতের প্রয়োজনের উদ্দেশ্যে লিখে রাখে। রেকর্ড বলতে বই, পান্ডুলিপি, ম্যাপ, ফটোগ্রাফস যেমন-ক্যাসেট, মাইক্রোফিল্ম, রেডিও, স্লাইড, টেপ, ডাইস ইত্যাদিসহ Èইলেকট্রোনিকস’ রেকর্ডস যেমন- ডিস্ক সিডি, ডিভিডি, ম্যাগনেটিক টেপ ও রেকর্ডস ইত্যাদিকে বুঝায়।

 

নথি সৃষ্টি ও ব্যবহার

যে কোন নির্দষ্টি কারণে ও প্রয়োজনে  সরকারি/আধাসরকারি বা স্বায়ত্বশাসিত প্রতিষ্ঠানের কার্য পরিচালনার মাধ্যমেই নথি সৃষ্টি হয়। বিভিন্ন সংস্থার কার্যসম্পাদনের মাধ্যমেই ধারাবাহিক ভাবে নথির সংখ্যা বাড়তে থাকে। এজন্য সুষ্ঠুভাবে কার্যসম্পাদন ও ভবিষ্যত প্রয়োজনের কারণেই নথির ব্যবস্থাপনা প্রয়োজন। 

সাধারণত নথিকে তিন ভাগে ভাগ করা হয।

ক) চলতি নথি (Current Record)

খ) অর্ধচলতি নথি (Semi Current Record)

গ) অপ্রচলিত নথি  (Non Current Record)

 

ক. চলতি নথি (Current Record)

          নথির সৃষ্টিকাল থেকে যতদিন পর্যন্ত প্রশাসনিক প্রয়োজন থাকে সে সকল নথিকে চলতি নথি বলে।  নথি সৃষ্টিকারী সংস্থা শৃঙ্খলা মত যথাস্থানে সাজিয়ে রাখবে। গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ের নথিতে ভালো কাগজ ও কালি ব্যবহার করা প্রয়োজন।

 

খ) অর্ধচলতি নথি (Semi Current Record)

          যে সব নথি দৈনন্দিন প্রশাসনিক কাজে সব সময় প্রয়োজন হয় না কিন্তু মাঝে মাঝে প্রয়োজন হয় তাকে অর্ধচলিত নথি বলা হয়। এই সমস্ত অর্ধচলতি নথি অফিস কক্ষে না রেখে প্রত্যেক অফিস বা সংস্থার রেকর্ডরুমে রাখা প্রয়োজন। এ সময় ৩ থেকে ৫ বছর মেয়াদি হতে পারে। অর্ধচলতি নথিকে প্রাথমিকভাবে যে মূল্যায়ন করে অপ্রয়োজনীয় নথিকে ধ্বংস করে ফেলতে হবে।

 

গ. অপ্রচলিত নথি (Non Current Record)

অপ্রচলিত নথি বলতে ওইসব নথিকে বুঝায় যেগুলো দৈনন্দিন প্রশাসনিক কাজে প্রয়োজন হয় না কিন্তু গুরুত্ব ও মূল্যায়ন বিবেচনা করে সংরক্ষন করা হয়। অপ্রচলিত নথিকে অন্যান্য নথি থেকে সম্পূর্ণ পৃথক রাখা দরকার। ১২ বছরের অধিক পুরাতন নথি সৃষ্টিকারী সংস্থা সংস্থা ও জাতীয় আরকাইভসের সাহায্যে যেৌথভাবে মূল্যায়ন করে ওইগুলোকে গুরুত্ব অনুসারে  Èক’ Èখ’ ও Èগ’ শ্রেণীতে বিন্যাস করতে হবে। Èক’ শ্রেণীভুক্ত নথি অধিক গুরুত্বপূর্ণ বিবেচনায় পৃথকভাবে রাখার ব্যবস্থা করতে হবে। Èখ’ ও Èগ’ শ্রেণীভুক্ত নথি পুনর্মূল্যায়নের তারিখ দিয়ে রাখতে হবে। পর্যায়ক্রমে মূল্যায়নের পর আরকাইভস আইন অনুসারে ২৫ বছরের ঊর্ধ্বে Èক’ ও Èখ’ শ্রেণীর নথি জাতীয় আরকাইভসে স্থায়ী সংরক্ষণের জন্য স্থানান্তর করতে হবে। জাতীয় আরকাইভসের অনুমোদন সাপেক্ষে ২৫ বছরের ঊর্ধ্বে Èগ’ শ্রেণীর নথি ধ্বংস করা যেতে পারে।

 

নথি ব্যবস্থাপনার উদ্দেশ্য

নথি স্ফীতই নথি ব্যবস্থাপনার জন্য উলে্লখযোগ্য কারণ।

১. প্রয়োজনীয় ও মূল্যবান নথিগুলোকে অপ্রয়োজনীয় নথি থেকে পৃথক করা ও সংরক্ষণের ব্যবস্থা করা। এতে অতিরিক্ত জায়গা বঁাচায় ও প্রয়োজনীয় নথি সহজেই হাতের কাছে পাওয়া যায়।

২. যদি নথিগুলোকে সঠিকভাবে সংরক্ষণ করা না যায় তবে একদিকে যেমন প্রয়োজনের সময় হাতের কাছে খুঁজে পাওয়া যাবে না তেমনি প্রয়োজনীয় ও অপ্রয়োজনীয় নথি একসঙ্গে রাখলে প্রশাসনের কাজকর্মে জটিলতা সৃষ্টি হবে।

৩. অযথা নথি সৃষ্টি ও ডুপি্লকেট কপির নিয়ন্ত্রণ করা যায়।

৪. প্রয়োজনীয় ও মূল্যবান নথিগুলোকে চিহ্নিত করে নিরাপদ জায়গায় সংরক্ষণ করা যায়।

৫. আরকাইভস রেকডসকে চিহ্নিত করে স্থায়ী সংরক্ষণের জন্য আরকাইভসে স্থানান্তর করা সম্ভব হয়।

নথি ব্যবস্থাপনা কার্যক্রম

 

নথি ব্যবস্থাপনার ক্ষেত্রে কতগুলো পর্যায় রয়েছে। যেমন:

ক. যাচাই-বাছাই ও শ্রেণীকরণ।

নথি যাচাই-বাছাই করার সময়ই কার্যধারা অনুসারে নথিকে শ্রেণীকরণ করতে হবে। নথির বিষয়বস্তু এবং পুরো ফাইলটি বিশে্লষণ করে ভবিষ্যত্ প্রয়োজন সম্পর্কে তথ্য দিয়ে চূড়ান্ত সদ্ধিান্ত গ্রহণ করতে হবে। এটি দায়িত্বশীল কর্মকর্তার মাধ্যমে রেকর্ডরুমে নথি পাঠানের পূর্বেই যাচাই-বাছাই করতে হবে।

 

খ. মূল্যায়ন

নথি ব্যবস্থাপনায় নথির মূল্যায়ণ একটি গুরুত্বপূর্ণ কাজ। অফিসকক্ষে নথি স্ফীতির তথ্যাবলী আহরণে অনেক প্রকার অসুবিধার সৃষ্টি হয়। সুতরাং নথির প্রয়োজন শেষ হওয়ার পর অবিলম্বে তার মূল্যায়ন করা প্রয়োজন। মূল্যায়নের সময় প্রশাসনিক ও ঐতিহাসিক উভয় দৃষ্টিভঙ্গি নিয়ে নথি মূল্যায়ন করতে হবে। এ ব্যাপারে নথি সৃষ্টিকারী প্রতিষ্ঠানের ও কোনো আর্কিভিস্টকে দায়িত্ব দিতে হবে।

 

গ. সময় নির্ধারণী তালিকা:

মূল্যায়নের পর যে ফাইলগুলো প্রয়োজনে আসবে না বা বর্তমান কর্মকাণ্ডে প্রয়োজন হবে না সেগুলো রেকর্ডরুমে রাখতে হবে এবং সঙ্গে সঙ্গে সময় নির্ধারণ করে মূল্যবান নথি সম্পর্কে তালিকা তৈরি করে

 

 

রাখতে হবে। এই তালিকাকে Retention scheduled  বলা হয়। যে সকল নথি রেকর্ডরুমে বা আকাইভসে  সংরক্ষণের জন্য রাখা হবে সেগুলোতে Èস্থায়ী’ এবং তালিকার পাশে (টিক চিহ্ন) দিতে হবে। যে নথিগুলো ধ্বংস করা হবে সেগুলোতে ক্রস (x) চিহ্ন দিতে হবে। নথি মূল্যায়ন কারীদের অবশ্যই সংশি্লষ্ট সংস্থার প্রশাসনিক ইতিহাস ও কার্যাবলী সম্পর্কে জ্ঞান থাকতে হবে।

 

বিনষ্টিকরণ

নথি ব্যবস্থাপনার অপর আরেকটি কাজ হলো বিনষ্টিকরণ। অপ্রয়োজনীয় নথি সংরক্ষণ করার ফলে অর্থের অপচয় হয় এবং দৈনন্দিন প্রশাসনিক কাজে ব্যাঘাত সৃষ্টি করে এবং অপব্যবহার হয়। নথি বিনষ্ট করার আগে বিনষ্টিকরণ তালিকা তৈরি প্রয়োজন এবং এ ব্যাপারে আরকাইভসের অনুমোদন ছাড়া বিনষ্ট করা কোনোক্রমেই উচিত নয়।

 

নথি সংরক্ষণ পদ্ধতি

প্রাকৃতিক ও পরিবেশগত কারণে একটি নির্দষ্টি সময়ের পর নথি নিজে থেকেই নষ্ট হতে থাকে। তাই নথিপত্র সংরক্ষণের জন্য নম্নিবর্ণিত ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে∏

১. পোকামাকড় থেকে রক্ষা করতে হবে।

২. রেকর্ডরুম পরিষ্কার পরিচ্ছন্ন রাখতে হবে।

৩. নথি উপযুক্ত মেরামতের ব্যবস্থা থাকতে হবে।

৪. নথিকে জীবাণুমুক্ত করতে ফিউমিগেশন করা।

৫. শীতাতপ রোধক কক্ষে নথি সংরক্ষন করা ও

৬. আর্দ্রতা রোধক কক্ষে নথি রাখতে হবে।

 

রেকর্ডরুম স্থাপন

প্রত্যেকটি সংস্থার নিজস্ব একটি রেকর্ডরুম থাকা প্রয়োজন। কারণ রেকর্ডরুম ছাড়া সুষ্ঠু নথি ব্যবস্থাপনা কার্যক্রম প্রতিষ্ঠা করা সম্ভব নয়। নথি ব্যবস্থাপনা কার্যক্রমের সঙ্গে নম্নি পর্যায়ের কর্মচারী থেকে ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাগণ জড়িত থাকা প্রয়োজন।

 

উপসংহার

বর্তমান যুগে সরকারি সকল সমুহের সংস্থার নথি ব্যবস্থাপনার দায়িত্ব ও ক্ষমতা জাতীয় আরকাইভসকে দেওয়া হয়েছে। সংস্থাগুলোর নিজস্ব নথি ব্যবস্থাপনার ক্ষমতা সীমিত করা হয়েছে। বর্তমান কালে পৃথিবীর প্রায় সকল দেশেই নথি ব্যবস্থাপনার দায়িত্ব সে দেশের আরকাইভসের উপর ন্যস্ত।  বাংলাদেশ জাতীয় আরকাইভস আইন অনুসারে কোনো সরকারি অফিস তার নথিপত্র আরকাইভসের অনুমতি ছাড়া ধ্বংস করতে পারে না। কেবলমাত্র মূল্যহীন নথি ধ্বংস করতে পারে। সুতরাং দেশে সুষ্ঠু ও দক্ষ প্রশাসনিক ব্যবস্থাপনা প্রতিষ্ঠা করার জন্যই নথি ব্যবস্থাপনা বিষয়টিকে যথাযথ গুরুত্ব দেওয়া উচিত।

 

 

Normal 0 The Dutch Sources and Our History Azizul

Normal
0

The Dutch Sources and Our History

 

Azizul Rasel

 

Introduction:

 

Sources for reconstructing early modern history of Bengal are very scant. For early modern history of Bengal we have Persian chronicles and traveler accounts. Persian chronicles written by Mughal officials mostly focus on political and courtly affairs and seldom refer to economy and society. Furthermore these chronicles are often biased. Although traveler accounts supply essential information, these kinds of accounts are not many in number and do not always offer close observation of the society and economy. In some cases these accounts are prejudiced. Apart from these sources, we have another important sources, which historians of Bengal have hardly used in their works. These are Dutch. The Dutch sources can add important knowledge on the early modern history of Bengal. Two historians from India namely Sushill Chaudhury and Om Prakash have so far used the Dutch sources to write the early modern history of Bengal. But their main focus was on western part of Bengal. However, no historians from our part have used the Dutch sources. But these sources can provide important insight to our knowledge of early modern eastern Bengal, particularly Dhaka and the areas around.  In this article, I will try to show the importance of the Dutch sources to reconstruct the history of eastern Bengal.

 

VOC Records

 

Verenigde Oost Indische Compagnie or the Dutch East India Company, commonly known as the VOC, was established in 1602. The Company received charter from the States General of the Dutch Republic to trade in Asian water. Within few years of the establishment of the Company it made significant progress in trade. It had its principal trading settlement in Batavia, present day Jakarta[1]. In the course of time the VOC expanded its trade to South Asia, particularly India, Ceylon and Persia. The VOC had its factory in Bengal by 1630’s. In the 1650’s the Company also established a factory in Dhaka, as by that time Dhaka emerged as a potential supply center for textile trade.[2] It traded different commodities from Dhaka and other parts of eastern Bengal. The common characteristic of the chartered European companies was that they maintained their records very well. From practical needs the companies would produce different records and send to the headquarters through Batavia. The documents were preserved in the Company headquarters. Later, the National Archives of the Netherlands collected the documents and preserved it in the Archives in the Hague. There are kilometers of records on Bengal preserved in the Archives. Among the documents there are General Missiven or official correspondences, casa boek or cashbook, Memorie Overgave final report of the company chief, Dag register etc.

           

Relevance of the VOC archives in studying history of early modern eastern Bengal:

 

As the VOC had its factory in Dhaka it produced a lot of records on it. Unfortunately the Nataonaal Archief does not have especial department on Dhaka factory. These records can be found in Bengalen and Chinsura and even in the Batavia department. One can also take the help from TANAP website to search sources on Dhaka and other areas of eastern Bengal.

            In addition to official records, we can find some other kinds of Dutch sources, which are very important. These are Personal Diary, Log Book and the Dutch Traveler accounts. These unofficial Dutch records provide detail description on their experience in Dhaka and the areas of eastern Bengal. One such example is Diary on Dhaka written by VOC officials. In these diaries they maintained their day to experience in Dhaka. A good example of traveler account can be Vervarelyke schip-breuk van‘T Oost-Indisch Jacht Ter Schelling or the Terrible Shipwreck of a Dutch East India company ship Ter Schellingwritten by a Dutch sailor, Frantz van Der Heiden, who had the experience of traveling the coastal areas of eastern Bengal and Dhaka. Later, the unfortunate sailor and his fellow Dutchmen were conscripted as Mughal soldiers and forced to join in Mir Jumla’s Assam campaign. In his book Van der Heiden provides a vivid description of the villages, markets, economy, rural subaltern society and the Mughal warfare in the field.[3]

 

Conclusion:

 

From the aforesaid discussion and examples I have tried to demonstrate that the Dutch sources can open up new insights and perspective in studying the early modern history of Bengal, particularly eastern part of Bengal.


[1] For detail see Femme S. Gaastra, The Dutch East India Company: Expansion and Decline (Leiden: Walburg Press, 2003), pp.13-55

[2] For detail see, Azizul Rasel, ‘ The Mughals and the Dutch in the making of Dhaka’ (BA Thesis, Leiden University, 2011)

[3] For detail see Azizul Rasel, ‘The Seventeenth-century Dutch Travel Account and the Production of Knowledge on Asia: A study of Vervarelyke schip-breuk van ‘T Oost-Indisch Jacht Ter Schelling‘ (MA Thesis, Leiden University, 2012), can be accessed at https://openaccess.leidenuniv.nl/handle/1887/19453