Friends of Archives, Bangladesh

আন্তর্জাতিক আর্কাইভস দিবসে আমাদের করণীয়: মুহাম্মদ লুত্ফুল হক

Advertisements

আন্তর্জাতিক আর্কাইভস দিবসে আমাদের করণীয়

মুহাম্মদ লুত্ফুল হক

 

৯ জুন আন্তর্জাতিক আর্কাইভস দিবস। ২০০৪ সালে আর্কাইভস এবং দলিলপত্র সংরক্ষণ বিষয়ে সর্বোচ্চ আন্তর্জাতিক সংস্থা Èইন্টারন্যাশনাল কাউন্সিল অন আর্কাইভস’ (আইসিএ) সদ্ধিান্ত নেয় যে প্রতি বছর Èআন্তর্জাতিক আর্কাইভস দিবস’ পালন করা হবে। দিন হিসেবে আইসিএ-এর প্রতিষ্ঠা দিবস অর্থাত্ ৯ জুনকে বেছে নেয়। আর্কাইভস দিবসের মূল আবেদন হচ্ছে জনসাধারণ ও নীতি নির্ধারকদের মধ্যে আর্কাইভস এবং দলিলপত্র সংরক্ষণ বিষয়ে সচেতনতা বৃদ্ধি করা। স্বীকার করতে কোনো আপত্তি নেই যে বাংলাদেশে আর্কাইভস ও দলিলপত্র সংরক্ষণ বিষয়ে সাধারণ মানুষের ধারণা খুবই অস্বচ্ছ, আর নীতি নির্ধারকদের অধিকাংশই এ বিষয়ে উদাসীন।

একটি জাতির অতিতের সকল কর্মকান্ডের দলিলপত্র আর্কাইভসে সংরক্ষিত থাকে। সংরক্ষিত দলিলপত্র দেশের সরকার বা সরকার বহির্ভূত সংস্থা, এমনকি ব্যক্তি বিশেষকে অর্থনৈতিক, রাজনৈতিক, সামাজিক, সাংস্কৃতিক বিষয়ে নির্ভূল তথ্যাদি সরবরাহ করে, এতে বর্তমান বুঝা এবং ভবিষ্যত পরিকল্পনা করা সহজ হয়। জাতি এ সমস্ত সংরক্ষিত দলিল থেকে ভবিষ্যত্-এর পথ খুজে পায়। বিভিন্ন স্তরে বা বিষয়ে আর্কাইভসের ধরন বিভিন্ন হয়ে থাকে। প্রতিটি দেশেই সরকারি পর্যায়ে একটি জাতীয় আর্কাইভস থাকে যার অধীন একাধিক প্রাদেশিক, আঞ্চলিক বা শাখা আর্কাইভস থাকতে পারে। জাতীয় আর্কাইভসে দেশের সকল সরকারি সংস্থা এবং বিশেষ বিশেষ ক্ষেত্রে বেসরকারি সংস্থা ও ব্যক্তির ঐতিহাসিক গুণসম্পন্ন রেকর্ড বা দলিলপত্র সংরক্ষন করা হয়। জাতীয় আর্কাইভসকে বলা হয় জাতির স্মৃতি। স্থানীয় অর্থাত্ শহর ও নগর পর্যায়ে পেৌরসভা আর্কাইভস গঠন করা হয়। সেখানে মূলত শহরের ব্যক্তি, সংস্থা ও সংগঠন, বাসস্থান ও স্থাপনা, সামাজিক ও রাজনৈতিক কর্মকাণ্ড, খাজনাসহ বিভিন্ন অর্থনৈতিক কর্মকান্ড ইত্যাদি বিষয়ের তথ্যাদি সংরক্ষণ করা হয়। এর বাইরে বিষয় ভিত্তিক আর্কইভসও গঠিত হয়, যেমন ফিল্ম আর্কাইভস, ক্রীড়া আর্কাইভস ইত্যাদি। বিভিন্ন সরকারী বা বেসরকারী সংস্থাও নিজেদের সংস্থাভিত্তিক আর্কাইভস গঠন করে থাকে, যেমন, বিশ্ববিদ্যালয় আর্কাইভস, টি আর্কাইভস ইত্যাদি। বেসরকারী পর্যযায়েও আর্কাইভস গঠিত হতে পারে, যেমন, হেরিটেজ আর্কাইভস ইত্যাদি।

১৯৪৭-এর পর হতে এদেশে দলিল ব্যবস্থাপনায় ধ্বস নামা শুরু হয় আর ১৯৭১ পরবর্তীতে তা আরো বেগবান হয়। পূর্বে সরকারী রেকর্ডরুমে কাজ করাকে পেশাগতভাবে যতটা গুরুত্ব দেয়া হতো বা এখানে কাজ করার মধ্যে কর্মকর্তা/কর্মচারীরা যতটা গেৌরববোধ করতেন, তা এখন আর নেই। বেশীরভাগ কার্যালয়ে এখন কোন রেকর্ডরুম, রেকর্ড অফিসার/কিপার বা রেকর্ড সংরক্ষণের বাজেট নাই। যদি কোথাও অতিতের রেকর্ডরুম এখনও টিকে থাকে তবে তা অন্ধকারাচ্ছন্ন, ঝুলে ভর্তি, চামচিকা, বাদুড়, সঁাপ, ব্যাঙ, ইদুরের আখড়া। সচিবালয়ে একটি কেন্দ্রীয় রেকর্ডরুম আছে অথচ দীর্ঘদিন হতে এখানে কোন দলিল জমা পরছেনা। হালে সচিবালয়ে স্থান সংকটের কারণে কেন্দ্রীয় রেকর্ডরুমের জন্য নির্দ্দষ্টি স্থানকে সংকুচিত করা হয়েছে।

বাংলাদেশে আর্কাইভস এবং দলিলপত্র সংরক্ষণে সরকারের প্রতিনিধিত্বশীল ও সর্বোচ্চ সংস্থা হচ্ছে Èন্যাশনাল আর্কাইভস অব বাংলাদেশ’ বা Èবাংলাদেশ জাতীয় আর্কাইভস’, এটি ১৯৭৩ সালে প্রতিষ্ঠা লাভ করে। এখানে জমা আছে দেশের সকল গুরুত্বপূর্ণ সরকারি ও বেসরকারী দালিলপত্র। জাতীয় আর্কাইভসকে শক্তিশালী করা বা কার্যকর করার জন্য ১৯৮৩ সালে জারি হয় Èন্যাশনাল আর্কাইভস অর্ডন্যান্স’। এই অর্ডন্যান্সের বলে জাতীয় আর্কাইভস দেশ ও বিদেশ থেকে জাতীয় গুরুত্বপূর্ণ দলিলপত্র সংগ্রহ করে এবং তার তালিকা প্রস্তুত ও প্রকাশ করে, বেসরকারি পর্যায়ের সকল আর্কাইভসকে প্রযুক্তিগত সহায়তা দেয়, দলিলপত্রের ব্যবহার, বিন্যস্তকরণ, ব্যবস্থাপনা, রক্ষণাবেক্ষণ, ধ্বংস, হস্তান্তর ইত্যাদি বিষয়ে প্রয়োজনীয় নিতীমালা, বিধীমালা, নির্দেশিকা প্রণয়ন করে, সর্বপরি জনসাধারনের সচেতনতার জন্য নিয়মিতভাবে আর্কাইভস ও দলিলপত্রের প্রদর্শনী করে। উন্নত ও সভ্য দেশগুলিতে আর্কাইভসকে যথষ্টে মর্যাদা ও গুরুত্ব দেয়া হয়। আমেরিকার জাতীয় আর্কাইভস একটি স্বাধীন ফেডারেল এজেন্সী, জাপানের জাতীয় আর্কাইভস একটি স্বশাসিত সংস্থা। বাংলাদেশে অধ্যাদেশ অনুযায়ী জাতীয় আর্কাইভস স্বতন্ত্র অধিদপ্তর হওয়ার কথা থাকলেও এখনো তা সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের অধীন একটি অধিদপ্তরের দুই শরিকের এক শরিক মাত্র।

যে কোন আর্কইভসে মোট সংগ্রহের পরিমান সাধারনভাবে সেল্ফ-কিলোমিটার পদ্ধতিতে উলে্লখ করা হয়, দলিলপত্রের সেল্ফসমূহকে পাশাপাশি রাখলে যে দৈর্ঘয দাড়ায় সংগ্রহের পরিমান তত কিলোমিটার ধরা হয়। নেদারল্যন্ডের জাতীয় আর্কাইভসের সংগ্রহ ৯৩ কিলোমিটার আর ভারতের জাতীয় আর্কাইভসের সংগ্রহ ৪০ কিলোমিটার। বাংলাদেশ জাতীয় আর্কাইভসে সংগৃহিত দলিলের পরিমান এখনও নির্ণিত হয়নি, তবে তা কোনভাবেই ১ কিলোমিটারের অধিক হবেনা। সরকারি কর্যালয়সমূহ হস্তান্তরযোগ্য দলিলপত্র নষ্ট, ধ্বংস ও বিক্রী করলেও অধ্যাদেশের নির্দেশানুযায়ী আর্কাইভসকে হস্তান্তর করতে নারাজ (বিচ্ছিন্ন দু’একটি ঘটনা ছাড়া)। জাতীয় আর্কাইভস দলিল সংগ্রহের জন্য প্রশাসনের বিভিন্ন স্তরে যোগাযোগ ও প্রতিনিধি প্রেরণ করে বা পত্রিকায় বিজ্ঞাপন দিয়েও সরকারী ও বেসরকারী পর্যায়ে বিশেষ সাড়া পায়নি। কিছুদিন পূর্বে জেলা প্রশাসকদের সভায় জাতীয় আর্কাইভসে দলিলপত্র প্রেরণ বিষয়ে সদ্ধিান্ত হলেও বাস্তবায়নের গতি অত্যন্ত মন্থর। অধ্যাদেশ অনুযায়ী জাতীয় আর্কাইভস দলিলপত্র বিষয়ে কোন নিতীমালা, বিধীমালা বা নির্দেশিকা প্রকাশ করেনি। বিভিন্ন সরকারী কার্যালয়ে এখনও প্রায় বাতিল হয়ে যাওয়া রেকর্ড ম্যানুয়াল ১৯৪৩ অনুসৃত হচ্ছে।

বাংলাদেশ জাতীয় আর্কাইভসের সবচাইতে বড় সমস্যা হচ্ছে জনবল। আর্কাইভসে মোট জনবল ৩৪ জন । এরমধ্যে ৪ জন প্রথম, ১ জন দ্বিতীয় এবং ১৩ জন তৃতীয় শ্রেনীর কর্মকর্তা। ভারতের জাতীয় আর্কাইভসে ৬০ জন এবং পাকিস্থান জাতীয় আর্কাইভসে ৩০ জনের অধিক ১ম ও ২য় শ্রেনীর কর্মকর্তা আছে, মালয়েশিয়ার জাতীয় আর্কাইভসে শুধু বাধাই শাখাতেই ৪০ জন স্টাফ আছে। প্রারম্ভিক চাকুরী হিসেবে তৃতীয় শ্রেনীর কর্মকর্তা পদে যোগদানে শিক্ষিত ও যোগ্যরা উত্সাহিত হয়না, উপরন্তু সাংগঠনিক কাঠামোয় বিভিন্ন পদে পদোন্নতির সূযোগও কম, ফলে আর্কাইভসে যে ধরনের মেধা দরকার তা নাই।

সংগৃহিত অনেক প্রাচীন দলিলপত্র আর্কাইভসের বিভিন্ন কক্ষে দীর্ঘদিন হতে স্তুপ আকারে মজুদ আছে, এভাবে আর কিছুদিন থাকলে এগুলি বিনষ্ট হয়ে যাবে। রক্ষিত দলিলপত্র দীর্ঘমেয়াদী সংরক্ষণ ও বিনষ্টকারী কীটপতঙ্গের আক্রমণ থেকে রক্ষার জন্য যে সমস্ত আধুনিক পদ্ধতি প্রচলিত আছে আর্কাইভসে তার অভাবে আছে, ফলে অনেক প্রাচীন, ঐতিহাসিক ও গুরুত্বপূর্ণ দলিলপত্র হুমকির সম্মুখীন এবং ধীর প্রক্রিয়ায় ধ্বংস হচ্ছে। Èদি ইংলিশম্যান’ পত্রিকার উনবিংশ ও বিংশ শতাব্দির কয়েক দশকের সংখ্যা আর্কাইভসের অত্যন্ত দুসপ্রাপ্য সংগ্রহ, কিন্তু যথাযথ সংরক্ষণের অভাবে এর অনেক সংখ্যাই এখন ব্যবহার অনুপযোগী হয়ে পড়েছে। আর্কাইভসে মজুদ দলিলপত্রের ক্যাটালগ দীর্ঘদিনেও হালনাগাদ ও পূর্ণঙ্গ করা হয়নি। অনেক নতুন সংগ্রহের ক্যাটালগ এখনও তৈরী হয়নি।

জাতীয় আর্কাইভসে মূলত কাগজ নির্ভর দলিলপত্রের মজুদ আছে; ফটোগ্রাফিক, ম্যাগনেটিক, ইলেক্ট্রনিক বা ডিজিটাল তথ্য, অডিও-ভিডিও দলিলপত্র ইত্যাদির সংগ্রহ নাই। বহির্বিশ্বে ডিজিটাইজেশনের মাধ্যমে দলিলপত্রের একাধিক নকল সৃষ্টি করে মূল দলিলের ব্যবহার সীমিত করা হচ্ছে, এতে মূল দলিলের আয়ূ বৃদ্ধি পাচ্ছে; উপরন্তু ডিজিটাইজ করা দলিল থেকে অনেক নকল সৃষ্টি করা সম্ভব এবং এ সমস্ত বিকল্প দলিলের আয়ূও অনেক বেশী। কিছুদিন পূর্বে আর্কাইভসের কিছু প্রাচীন দলিলপত্র ডিজিটাইজ করা হয়েছে, যা তালাবদ্ধ অবস্থায় আছে, তথ্যসন্ধানী ও গবেষকদের জন্য উম্মুক্ত নয় বা তা ব্যবহার করার কোন সূযোগও আর্কাইভসে নাই। জাতীয় আর্কাইভসে মজুদ কাগজে সৃষ্ট দলিলসমূহের দীর্ঘমেয়াদি সংরক্ষণের জন্য মাইক্রোফিল্ম বা ডিজিটাইজ করার একটি প্রকল্প কর্তৃপক্ষ গ্রহন করেছে এবং এ খাতে বরাদ্দও পাওয়া গেছে তবে এ বিষয়ে বিশেষজ্ঞ না থাকায় এখনও কোন পরিকল্পনা করা হয়নি।

জাতীয় আর্কাইভসের একটি উপদষ্টো পরিষদ আছে, সেখানে শক্তিশালী সকল মন্ত্রণালয়ের উচ্চপদস্থ কর্মকর্তা এবং বিশ্ববিদ্যালয়ের জ্যৈষ্ঠ শিক্ষকরা সদস্য। আর্কাইভসের গুণগত মান পরিবর্তনে তারাও কোন অবদান রাখতে পারেননি। তাদের সভায় কোন নীতিগত সদ্ধিান্ত গ্রহন করা হয়না, ফলে এটি একটি নিয়ম রক্ষার পরিষদে পরিনত হয়েছে। প্রচলিত নিয়মে প্রতি তিন মাস পরপর সভা হওয়ার কথা থাকলেও গত এক-দেড় বছরের অধিক সময় উপদষ্টো পরিষদের কোন সভা অনুষ্ঠিত হয়নি।

বাত্সরিক বাজেটে আর্কাইভস প্রয়াজনের তুলনায় অতি নগন্য অর্থ বরাদ্দ পেয়ে থাকে। ২০০৯-১০ বছরে আর্কাইভসের জন্য ব্যায় হয়েছে মাত্র ৩/৪ লক্ষ টাকা, এ অর্থ আর্কাইভসের কোন প্রয়োজন মিটাতে সক্ষম হয়নি। তবে আনন্দের কথা যে আর্কাইভস সরকার ও বিদেশী সংস্থা থেকে বিভিন্ন প্রকল্পের আওতায় প্রায় ৩৫ কোটি টাকা বরাদ্দ পেয়েছে, এদ্বারা নির্মাণ কাজ ও যন্ত্রপাতি ক্রয় করা হবে। এছাড়া আরও ১০/১৫ কোটি টাকা পাইপ লাইনে আছে। এই সকল অর্থ দিয়ে আর্কাইভসের প্রায় সকল মেৌলিক চাহিদা পূরন হবে এবং অনেকাংশে যুগোপযোগী হয়ে উঠবে, তবে প্রশিক্ষিত, যোগ্য ও দরকারী জনবলের অভাব বা ঘাটতি সহসাই পূরণ না হলে ব্যায়বহূল প্রকল্পগুলি থেকে প্রত্যাশিত ফল পাওয়া যাবেনা বরং বরাদ্দপ্রাপ্ত অর্থের অপচয়ই হবে।

দেশের সার্বিক দলিলপত্র সংরক্ষন ও জাতীয় আর্কাইভসের এই চিত্রকে সামনে রেখে আন্তর্জাতিক আর্কাইভস দিবসে আমরা সাধারণ মানুষকে জানাতে চাই যে দলিলপত্র শুধু ইতিহাস রচনার উপকরণই নয় এটি অমাদের আত্মপরিচয় এবং অধিকার প্রতিষ্ঠারও হাতিয়ার, তাই আসুন আর্কাইভস ও দলিলপত্র বিষয়ে সচেতন হই। এ দিবসে কার্যনির্বাহীদের মনে করাতে চাই যে দলিলপত্রের যথাযথ ব্যবহার সুশাসন ও উন্নয়নের সহায়ক, তাই আসুন দলিলপত্র সংরক্ষনে যথাযথ পদক্ষেপ নেই। একইভাবে নীতি নির্ধরকদের কাছে আবেদন থাকবে যে ২৭ বছরের পুরাতন আর্কাইভস অধ্যাদেশ, যা অনেকভাবেই বর্তমানে অপ্রয়োজনীয় হয়ে পড়েছে, তাকে হালনাগাদ করুন। জাতীয় আর্কাইভসকে স্বতন্ত্র মর্যদা ও ক্ষমতা দিয়ে আরও শক্তিশালী করুন, যাতে করে জাতীয় ইতিহাস ও ঐতিহ্য সংরক্ষন এবং ভবিষ্যত্ পরিকল্পনা প্রণয়নের সাহায্যার্থে এটি যথাযথ পদক্ষেপ নিতে পারে। একইসাথে অন্যান্য দেশের ন্যায় সরকারী দলিলপত্রের সংরক্ষণ ও ব্যবস্থাপনার জন্য Èপাবলিক রেকর্ডস এক্ট’ প্রণয়ন করতে হবে। নীতি নির্ধারকদের মনে করিয়ে দিতে চাই যে দেশে তথ্য অধিকার আইন কার্যকর হয়েছে অথচ Èপাবলিক রেকর্ডস এক্ট’-এর অভাবে তা গতি পাচ্ছেনা।

 

 

 

 

Advertisements